
নিজস্ব প্রতিনিধি: ঢাকা-৭ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সংসদ সদস্য প্রার্থী হাজী হাফেজ এনায়েত উল্লাহ বলেছেন, ‘‘জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে ১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র ও ব্যালট পাহারা দিতে হবে”। তিনি বলেন, কোনো অবস্থাতেই কেন্দ্র দখল হতে দেওয়া যাবে না। ব্যালট কারচুপি করে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন করতে দেওয়া যাবে না। প্রশাসনের কিছু লোক একটি দলের সঙ্গে আতাঁত করে ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন করার চেষ্টার ছক আঁকছে। কারণ ঐ দলকে ক্ষমতায় বসাতে পারলে তাদের অতীত অপকর্মের দায়মুক্তি পাবে। তারা নিজেদের অপকর্মের দায়মুক্তির জন্য জনগণের ভোট কারচুপি করে একটি দলকে ক্ষমতায় বসানোর চেষ্টা করবে। প্রশাসনের ভেতরে এবং বাহিরে নির্বাচন নিয়ে যত ষড়যন্ত হোক না কেন সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে জনগণের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।
সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-৭ আসনের উদ্যোগে মহিলা কর্মীদের অংশগ্রহনে নির্বাচনী গণমিছিল পূর্বক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি উপস্থিত নারী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেই হাত মা-বোনদের হিজাব ধরে টান দেয়, যারা মা-বোনদের পেটে লাথি মারে তাদের ব্যালটের মাধ্যমে প্রতিহত করতে হবে। সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে নারী সমাজকে জেগে উঠতে আহ্বান জানিয়ে বলেন, নারীর প্রতি অসম্মান, অশ্লীল আচরণকারীদের হাতে দেশ ও জাতি নিরাপদ নয়। ওদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গেলে ওরা নারীর অধিকার, নারীর স্বাধীনতা ও নারীর মর্যাদা লুন্ঠন করবে। যারা নারীদের মা-বোনের দৃষ্টিতে দেখে, যারা নারীর অধিকার, নারীর স্বাধীনতা ও নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন তাদেরকে নেতৃত্বে আনতে হবে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে আসলেই নারী সমাজ সম্মানিত ও মর্যাদাবান হবেন।
সমাবেশ শেষে, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সমর্থনে এক বিশাল গণমিছিল কামরাঙ্গীরচর সরকারি হাসপাতালের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৭ আসন কমিটির পরিচালক আব্দুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ঢাকা-৭ সংসদীয় এলাকা জামায়াতে ইসলামীর কয়েক হাজার নারী কর্মী মিছিলে অংশগ্রহন করেন।