
তন্ময় আলমগীর, কিশোরগঞ্জ: দীর্ঘদিন ধরে দখল ও অবৈধ স্থাপনায় সংকুচিত হয়ে পড়া নরসুন্দা নদী পরিদর্শন করেছেন কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম। পরিদর্শনকালে তিনি নদী পুনরুদ্ধারে সমন্বিত ও টেকসই পরিকল্পনা নিবেন বলে জানান। এসময় নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও ঘোষণা দেন।
শনিবার দুপুরে জেলা শহরের নদীর দখলকৃত এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শন শেষে এমপি মাজহারুল ইসলাম বলেন, “নদী দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করা গুরুতর অপরাধ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে নদীর জমি ভরাট কিংবা স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলকারীদের চিহ্নিত করে তাদের অপসারণ করা হবে।”
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি নদীর সীমানা নির্ধারণ, দখলদারদের তালিকা প্রস্তুত এবং পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি নদী দূষণ রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রভাবশালী মহল নদীর তীর ভরাট করে দোকানপাট ও স্থাপনা নির্মাণ করেছে। এতে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নরসুন্দা নদী একসময় ছিল নাব্য ও প্রশস্ত। দীর্ঘদিনের দখল ও অব্যবস্থাপনার ফলে বর্তমানে নদীর প্রস্থ ও গভীরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। নদী পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের দৃশ্যমান পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে স্থানীয়রা।