
আল গালিব, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়: ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘চিত্রনাট্য রচনা ও গল্প বলার ধরণ এবং চলচ্চিত্রসহ গণমাধ্যমের নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে জবাবদিহিমূলক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গঠন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫ জুন ২০২৬) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি কাজে ক্যাম্পাসের বাইরে অবস্থান করায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যম কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; বরং সমাজ গঠন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির একটি শক্তিশালী উপকরণ। এ কারণে এ খাতে নৈতিকতা, পেশাদারিত্ব এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি কর্মশালার আয়োজক ও অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট শিক্ষক, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক রফিকুল আনোয়ার রাসেল। তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী ও সুগঠিত চিত্রনাট্যই চলচ্চিত্রের মূল ভিত্তি, যা দর্শকের সামনে নতুন অভিজ্ঞতা, ভাবনা ও বাস্তবতার প্রতিফলন উপস্থাপন করতে সক্ষম। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনিয়ন্ত্রিত কনটেন্ট, বিভ্রান্তিকর তথ্যপ্রবাহ এবং নৈতিক অবক্ষয়ের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে জবাবদিহিমূলক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো প্রতিষ্ঠা সময়ের দাবি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর এবং স্ক্রিপ্ট রাইটার ও নির্মাতা মেজবাহ উদ্দিন সুমন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন। সূচনা বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির উপ-পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মোকছেদ হোসেন।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. জিল্লুর রহমান পল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মশালার সমাপনী পর্বে একটি মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গবেষক এবং গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান বাস্তবতা, ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ এবং নৈতিক গণমাধ্যম চর্চা জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।
প্রয়োজনে আমি এটিকে পত্রিকার উপযোগী সংক্ষিপ্ত সংবাদ, ফিচারধর্মী প্রতিবেদন বা প্রেস বিজ্ঞপ্তির ফরম্যাটেও সম্পাদনা করতে পারি।