
মোঃ মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ: বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ'র চেয়ারম্যান ও জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন বলেছেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে ধীরে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় সরকার ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহারের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রকল্পের অংশ হিসেবে চাঁইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুরে মহানন্দা নদী থেকে পানি উত্তোলন করে খালে ফেলার পর আবার তা জমিতে সেচ কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর কয়েকটি উপজেলার কৃষকরা উপকৃত হবেন। এলাকার কৃষকদের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রাথমিকভাবে রাজি হয়েছেন। আশা করি, আগামী অর্থবছর থেকেই এর কার্যক্রম শুরু হবে। শনিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএমডিএ'র বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, খাল-নদী ও বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসলী মাঠ পরিদর্শন এবং কৃষকদের সাথে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বরেন্দ্র অঞ্চলে সেচকাজে বিদ্যুৎ ব্যবহার বন্ধ করা হবে। সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বরেন্দ্র অঞ্চলের ১৭০০টি পাম্প চালানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। যাতে চলমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার উপর নির্ভরতা না থাকে। খাল খনন করে নদী ও খালে বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার করা হবে।
এছাড়াও ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার নিশ্চিত করতে আগামী ৫ বছরের মধ্যে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমডিএ'র নির্বাহী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম খান, বিএমডিএ রাজশাহী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান, বিএমডিএ চাঁপাইনবাবগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আল মামুনুর রশীদসহ বিএমডিএ'র বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।