
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়িয়ে কর্মক্ষেত্রে তাদের আরও কার্যকর ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণে যোগাযোগ দক্ষতা, আচরণ, সময় ব্যবস্থাপনা, দায়িত্বশীলতা ও কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সফটস্কিলস বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে ‘বাংলাদেশ প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেইজের দ্বিতীয় ব্যাচের এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ও বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে অর্থায়ন করছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ‘বাংলাদেশ প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের দ্বিতীয় ফেইজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা সারোয়ার মুর্শিদ আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোছা. সাইয়েদা সুলতানা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রশিক্ষকসহ প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রান্তিক পেশার মানুষ।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের পেশাগত জীবনে যোগাযোগের কার্যকর কৌশল, সহকর্মী ও সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, কর্মক্ষেত্রে দায়িত্বশীলতা, সময়ের সঠিক ব্যবহার, দলগতভাবে কাজ করা, সমস্যা সমাধান এবং পেশাগত ক্ষেত্রে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি সফটস্কিলস একজন কর্মজীবী মানুষের আত্মবিশ্বাস, যোগাযোগ সক্ষমতা ও কাজের মান বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রান্তিক পেশাজীবীদের এসব বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে পারলে তারা নিজেদের পেশায় আরও ভালোভাবে কাজ করার পাশাপাশি আয় ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়াতে পারবেন।
১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ প্রশিক্ষণ টানা ১০ দিন চলবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রান্তিক পেশাজীবীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।
‘বাংলাদেশ প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ ধরনের প্রশিক্ষণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।