
খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সরকার জ্বালানি তেল লিটার প্রতি ২০ টাকা বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ইতিমধ্যে বাস ভাড়া সহ দ্রব্যমূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বাড়বে। বিগত ৫ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছে। এরপর হয়তো গ্যাসের দামও বাড়াবে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন হবে। আমরা অবিলম্বে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানাচ্ছি। বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু-কিশোর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। অবিলম্বে কিশোর গ্যাং, মাদক সরবরাহকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি
কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, গণভোটে জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে সরকার সংবিধানের মৌলিক সংস্কার না করে কার্যত বিতর্কিত সংবিধানকেই রক্ষার পাঁয়তারা করছে। আমরা অবিলম্বে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করে গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি।
গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আমীরে খেলাফত মজলিস মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, ডা. আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, আলহাজ্ব নুর হোসেন, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, মাওলানা নুরুল হক, আবুল হোসেন, আমির আলী হাওলাদার।