
খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ জ্বালানী তেল, সিলিন্ডার গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, সরকার জ্বালানি তেল, সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে জনজীবনকে বিপর্যস্তকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। ইতিমধ্যে বাস ভাড়া সহ দ্রব্যমূল্য আরেক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বেড়েছে। বিগত ৬ মাসে সরকার দফায় দফায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা চরম কঠিন। আমরা অবিলম্বে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানাচ্ছি। বর্ধিত জ্বালানি মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। সাম্প্রতিক সময়ে শিশু-কিশোর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। অবিলম্বে কিশোর গ্যাং, মাদক সরবরাহকারী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স গ্রহণের জন্য আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, বিগত গণভোটে জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে একতরফা ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে সরকার ৭২এর বিতর্কিত সংবিধান রক্ষার পাঁয়তারা করছে। এখন নতুন করে গণভোট আয়োজনের কথা বলছে। আমরা সরকারকে বলবো, জনগণ একবার রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়ন করুন। এসব নাটক বন্ধ করে অবিলম্বে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন করে গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিন।
গতকাল সন্ধ্যা ৭টায় পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ, যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, অধ্যাপক মো: আবদুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিজানুর রহমান, অধ্যাপক কাজী মিনহাজুল আলম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন সাদী, প্রচার ও তথ্য সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুল হাফিজ খসরু, যুব বিষয়ক সম্পাদক তাওহিদুল ইসলাম তুহিন, ডা. আবদুর রাজ্জাক আসাদ, খন্দকার শাহাবুদ্দিন আহমদ, মুফতি আবদুল হক আমিনী, জিল্লুর রহমান, অধ্যাপক মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ খন্দকার, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া।