
মো. মুখলেছুর রহমান: ইসলামী ব্যাংকিংয়ের লক্ষ্য কেবল সুদমুক্ত লেনদেনের ব্যবস্থা গড়ে তোলা নয়; বরং ন্যায়সংগত অর্থায়ন, সম্পদের উৎপাদনশীল ব্যবহার, আমানতকারীদের অধিকার সংরক্ষণ, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে বাস্তব অর্থনীতির কার্যকর সংযোগ নিশ্চিত করা। এসব লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সৎ, দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও জবাবদিহিমূলক জনশক্তি। সেই সক্ষমতা গড়ে না তুলে শুধু ইসলামের নামে ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হলে প্রত্যাশিত সুফলের পরিবর্তে নতুন ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের গ্রহণযোগ্যতা ও সাফল্য শুধু প্রচার-প্রচারণা, শাখা-উপশাখার সংখ্যা কিংবা শরিয়াহসম্মত কিছু পরিভাষার ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে না। এর প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে পরিচালনায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের সততা, পেশাগত দক্ষতা, শরিয়াহবিষয়ক জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং জবাবদিহির ওপর। ব্যাংকিং এমন একটি সংবেদনশীল পেশা, যেখানে সামান্য অবহেলা, অদক্ষতা, স্বার্থের সংঘাত কিংবা অনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে আমানতকারী, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও সামগ্রিক অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইসলামী ব্যাংকিংয়ে এসব ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত হয় শরিয়াহ পরিপালনের বিশেষ দায়িত্ব।
শুধু ইসলামী পরিচয়ই যথেষ্ট নয়
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসার গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দক্ষ জনশক্তি, শক্তিশালী সুশাসন ও কার্যকর শরিয়াহ তদারকি গড়ে তুলতে না পারলে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা কিংবা প্রচলিত ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিংয়ে রূপান্তর করেও প্রত্যাশিত ফল অর্জন করা কঠিন হবে। বাহ্যিক কাঠামো পরিবর্তন করা তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে; কিন্তু অর্থায়নের দর্শন, নীতি ও পদ্ধতি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে প্রয়োজন জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা।
একটি ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের নিয়ম জানার পাশাপাশি মুরাবাহা, ইজারা, মুদারাবা, মুশারাকা, সালাম ও ইস্তিসনার মতো চুক্তির প্রকৃতি, শর্ত, ঝুঁকি ও বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। একই সঙ্গে হিসাববিজ্ঞান, বিনিয়োগ বিশ্লেষণ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক অপরাধ প্রতিরোধ, গ্রাহক যাচাই এবং ব্যাংকিং আইন সম্পর্কেও দক্ষতা প্রয়োজন।
বিশেষ করে মুরাবাহার ক্ষেত্রে পণ্য ক্রয়, মালিকানা অর্জন, দখল গ্রহণ, ঝুঁকি বহন ও পরবর্তী বিক্রয়ের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা জরুরি। অন্যদিকে, মুদারাবা ও মুশারাকার মতো অংশীদারিভিত্তিক অর্থায়নে মুনাফা বণ্টন, ক্ষতি নির্ধারণ, হিসাবের স্বচ্ছতা এবং অংশীদারদের অধিকার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। কোনো চুক্তির নাম ইসলামী হলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শরিয়াহসম্মত হয়ে যায় না; চুক্তির বাস্তব কাঠামো ও বাস্তবায়নেও সংশ্লিষ্ট শরিয়াহর শর্ত পূরণ করতে হয়।
সততা ও দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য
ব্যাংকিং খাতে দক্ষতার পাশাপাশি সততাও অপরিহার্য। একজন কর্মকর্তা অত্যন্ত দক্ষ হলেও অনৈতিক হলে তাঁর দক্ষতা অপব্যবহারের মাধ্যমে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি ঘটতে পারে। বিপরীতে, একজন ব্যক্তি আন্তরিক ও সৎ হলেও যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাবে জটিল বিনিয়োগ, ঝুঁকি মূল্যায়ন কিংবা শরিয়াহ চুক্তি বাস্তবায়নে ভুল করতে পারেন।
অতএব, সততা ও দক্ষতাকে পরস্পরের বিকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইসলামী ব্যাংকিংয়ে উভয়ের সমন্বয়ের পাশাপাশি প্রয়োজন পেশাগত দায়িত্ববোধ, স্বার্থের সংঘাত প্রতিরোধ, সিদ্ধান্তের যথাযথ নথিভুক্তি এবং কার্যকর জবাবদিহি।
পবিত্র কোরআনে আমানত তার প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং মানুষের মধ্যে বিচার করার সময় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (সুরা আন-নিসা, ৪:৫৮)। এই নীতির আলোকে ব্যাংকিংয়ের মতো জনআস্থার ওপর নির্ভরশীল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ, পদোন্নতি ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে সততা, যোগ্যতা ও দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
শুধু ধর্মীয় পরিচয়, আনুষ্ঠানিক সনদ কিংবা প্রভাবশালী মহলের সুপারিশের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে কাঙ্ক্ষিত ফল নাও আসতে পারে। প্রাসঙ্গিক জ্ঞান, বাস্তব দক্ষতা, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও নৈতিক মানদণ্ড যাচাইয়ের পাশাপাশি নিয়োগ-পরবর্তী প্রশিক্ষণ এবং কর্মদক্ষতার নিয়মিত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
শরিয়াহ জ্ঞান ও আধুনিক ব্যাংকিং দক্ষতার সমন্বয়
ইসলামী ব্যাংকিংয়ে শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ ও ব্যাংকিং পেশাজীবী—উভয় শ্রেণির মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শরিয়াহ বিশেষজ্ঞরা চুক্তির ধর্মীয় ও ফিকহগত বৈধতা বিশ্লেষণ করেন; অন্যদিকে ব্যাংকিং পেশাজীবীরা সেসব চুক্তির বাস্তবায়ন, আর্থিক ঝুঁকি, হিসাবরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক বিধিবিধানের দিকগুলো মূল্যায়ন করেন। তাঁদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় না থাকলে নীতিগত সিদ্ধান্ত ও বাস্তব কার্যক্রমের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হতে পারে।
এ কারণে শরিয়াহ বোর্ড, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ, অভ্যন্তরীণ শরিয়াহ নিরীক্ষা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও সাধারণ নিরীক্ষা বিভাগের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকা দরকার। শরিয়াহ বোর্ডের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ব্যাংকের ব্যবসায়িক স্বার্থ কিংবা ব্যবস্থাপনার চাপ শরিয়াহসংক্রান্ত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে না পারে। একই সঙ্গে বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন যাচাই করার জন্য পর্যাপ্ত জনবল, তথ্য, নথিপত্র ও নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
শরিয়াহ বোর্ডের অনুমোদন থাকলেই ব্যাংকের প্রতিটি লেনদেন বাস্তবে শরিয়াহসম্মত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। অনুমোদিত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত যাচাই করতে হবে। ত্রুটি শনাক্ত হলে তার কারণ অনুসন্ধান, দায়িত্ব নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
নামসর্বস্ব ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ঝুঁকি
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসার যদি শুধু ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা, বাজার সম্প্রসারণ কিংবা গ্রাহক আকর্ষণের কৌশলে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে এর মৌলিক উদ্দেশ্য দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। প্রচলিত সুদভিত্তিক ঋণ ও ইসলামী অর্থায়নের মধ্যে প্রয়োজনীয় চুক্তিগত পার্থক্য বজায় না রেখে শুধু পণ্যের নাম পরিবর্তন করা হলে শরিয়াহ পরিপালনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।
একইভাবে, দুর্বল বিনিয়োগ যাচাই, অনিয়মিত অর্থায়ন, স্বার্থের সংঘাত, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব এবং জবাবদিহির অভাব ইসলামী ব্যাংকিংকেও গুরুতর সমস্যায় ফেলতে পারে। ইসলামী পরিচয় এসব ঝুঁকি থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুরক্ষা দেয় না। বরং ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে আমানতকারী ও গ্রাহকেরা অতিরিক্ত আস্থা রাখলে অনিয়মের পরিণতি আরও গুরুতর হতে পারে।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে পুরো খাতের প্রতি মানুষের আস্থা। তাই শরিয়াহ পরিপালনকে শুধু প্রচার-প্রচারণার বিষয় না বানিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করতে হবে।
জনশক্তি উন্নয়নে অগ্রাধিকারমূলক করণীয়
প্রথমত, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের জন্য মানসম্মত ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। নতুন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে শাখা ব্যবস্থাপক, বিনিয়োগ কর্মকর্তা, নিরীক্ষক ও ঊর্ধ্বতন নির্বাহী—সবার দায়িত্ব অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকা দরকার। এতে শরিয়াহ, হিসাববিজ্ঞান, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক বিশ্লেষণ, ব্যাংকিং আইন, গ্রাহক সুরক্ষা ও পেশাগত নৈতিকতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, প্রশিক্ষণকে শুধু সনদ অর্জনের আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। বাস্তব ঘটনা বিশ্লেষণ, চুক্তি যাচাই, বিনিয়োগ মূল্যায়ন ও অনিয়ম শনাক্ত করার অনুশীলনের মাধ্যমে কর্মীদের সক্ষমতা যাচাই করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী যোগ্যতা পরীক্ষা ও পর্যায়ক্রমিক পুনঃপ্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও চালু করা যেতে পারে।
তৃতীয়ত, বিশ্ববিদ্যালয়, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও শরিয়াহ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে হবে। ইসলামী অর্থনীতি, ইসলামী ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং প্রযুক্তি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণ করা জরুরি। ব্যাংকিং খাতের বাস্তব সমস্যা নিয়ে গবেষণা এবং গবেষণালব্ধ ফল নীতিনির্ধারণে কাজে লাগানোর ব্যবস্থাও গড়ে তুলতে হবে।
চতুর্থত, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যক্তিগত সম্পর্ক কিংবা আনুগত্যের পরিবর্তে সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কর্মফলকে গুরুত্ব দিতে হবে। অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের স্বাধীন ব্যবস্থা, অভিযোগকারীর সুরক্ষা এবং দায়িত্ব অনুযায়ী জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করাও জরুরি।
পঞ্চমত, ব্যাংকগুলোর শরিয়াহ পরিপালন ও আর্থিক সুশাসন সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন প্রকাশ করা উচিত। শরিয়াহ নিরীক্ষায় চিহ্নিত ত্রুটি, সংশোধনমূলক ব্যবস্থা ও প্রাসঙ্গিক ঝুঁকি সম্পর্কে আমানতকারী এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে যথাযথ তথ্য দিতে হবে। আইনগত সীমা ও গ্রাহকের গোপনীয়তা রক্ষা করেও কার্যকর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব।
বিস্তারের আগে ভিত শক্তিশালী করা জরুরি
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ শুধু নতুন শাখা খোলা কিংবা গ্রাহকসংখ্যা বাড়ানোর ওপর নির্ভর করে না। আমানতকারীর অর্থ কতটা নিরাপদ, বিনিয়োগ কতটা উৎপাদনশীল, চুক্তি কতটা স্বচ্ছ, শরিয়াহ পরিপালন কতটা কার্যকর এবং প্রতিষ্ঠানগুলো কতটা জবাবদিহিমূলক—এসব বিষয়ই এর প্রকৃত সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।
তাই ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসারকে নিরুৎসাহিত করা নয়, বরং বিস্তারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জনশক্তির মান, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা উন্নত করাই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার। সৎ কিন্তু অদক্ষ, কিংবা দক্ষ কিন্তু অসৎ জনশক্তির ওপর নির্ভর করে টেকসই ইসলামী ব্যাংকিং গড়ে তোলা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সততা, পেশাগত দক্ষতা, শরিয়াহ জ্ঞান, ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও কার্যকর জবাবদিহির সমন্বয়।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বাহ্যিক পরিচয় ও বাস্তব কার্যক্রমের মধ্যে যেন ব্যবধান তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, শরিয়াহ বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত দায়িত্ব। কারণ, এর বিশ্বাসযোগ্যতা শুধু ব্যবসায়িক সম্পদ নয়; মানুষের ধর্মীয় আস্থা, আমানতের নিরাপত্তা এবং আর্থিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
সুতরাং, ইসলামী ব্যাংকিংয়ের টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো—সৎ, দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও জবাবদিহিমূলক জনশক্তি তৈরি করা। এই ভিত্তি শক্তিশালী না করে শুধু ইসলামের নামে ব্যাংকিংয়ের বিস্তার ঘটালে প্রত্যাশিত সুফল অর্জনের পরিবর্তে শরিয়াহ পরিপালন, আমানতকারীর আস্থা ও সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
লেখক: মো. মুখলেছুর রহমান:
ইসলামী ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তক, ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং মানবাধিকারকর্মী