
গণভোটে কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দাবি
কূটনৈতিক প্রতিবেদক: কাশ্মীরের কালো দিবস উপলক্ষে গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশে বক্তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৯৪৮ সালের ৪৭ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী কাশ্মীর সমস্যার সমাধানের আহ্বান জানান।
সমাবেশে পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান বলেন, ১৯৪৭ সালের ২৭ অক্টোবর ভারতীয় সেনারা শ্রীনগরে প্রবেশ করে কাশ্মীরের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিল।
তিনি বলেন, কাশ্মীরিদের অধিকার কোনো দয়া বা অনুগ্রহের বিষয় নয়; এটি তাদের মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার। গণভোটে কাশ্মীরের জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে রায় দিলে ভারতকে তা মেনে নিতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
খোমেনী ইহসান বলেন, গত আট দশকে কাশ্মীরে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন উল্লেখ করে তিনি অভিযোগ করেন, ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কাশ্মীরিরা বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার আটক, হেফাজতে মৃত্যু, গুম, নির্যাতন, ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছেন।
কাশ্মীরে কথিত নিপীড়ন বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে খোমেনী ইহসান বলেন, তিনি যেন জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে কাশ্মীরের জনগণের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্যান ইসলামিক মুভমেন্টের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের সদস্যসচিব ডা. নাবিল আহমদ, সহকারী সদস্যসচিব আব্দুস সালাম, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম শুভ ও শাহ ফেরদৌস হাসান নাজমুল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জব্বার এবং জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. সাইদুল ইসলাম ও সেলিম রেজা বাচ্চুসহ অন্যরা।
সমাবেশে বক্তারা কাশ্মীর সংকটের শান্তিপূর্ণ ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানান তাঁরা।