
মো: রুহুল আমিন বগুড়া: দৈনিক নয়া দিগন্তের বগুড়া অফিস ইনচার্জ ও বার্তা সংস্থা ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ (৫২) আর নেই। রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
সোমবার (২ নভেম্বর) বাদ জোহর বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন অধ্যক্ষ মাওলানা আবিদুর রহমান সোহেল। পরে ভাই পাগলার মাজার গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজায় অংশ নেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোজাম্মেল হক লালু, বগুড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানুসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাংবাদিকরা।
আবুল কালাম আজাদের সাংবাদিকতা জীবনের সূচনা দৈনিক সাতমাথা পত্রিকার মাধ্যমে। পরবর্তী সময়ে দৈনিক আজ ও আগামীকাল, দৈনিক উত্তর কোণ ও দৈনিক সংগ্রামে কাজ করেন। তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের বগুড়া প্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দৈনিক নয়া দিগন্তের বগুড়া অফিস ইনচার্জ ও ইউএনবির জেলা প্রতিনিধি ছিলেন। বগুড়া প্রেসক্লাবের একাধিকবার নির্বাচিত সাবেক কোষাধ্যক্ষ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সিনিয়র সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তার মৃত্যুতে বগুড়ার সাংবাদিক সমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, বগুড়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোকবার্তায় তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।