• ঢাকা |

শতখালীতে আপন চাচার দায়ের কোপে ও লাঠির আঘাতে ভাবি ও ভাতিজা হাসপাতালে


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

ফারুক আহমেদ, মাগুরা জেলা প্রতিনিধি : মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার অন্তর্গত শতখালী ইউনিয়নের শতখালী গ্রামে অবৈধ ভাবে জমিতে ময়লা ফেলাকে কেন্দ্র করে আপন চাচার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ও বাঁশের লাঠির আঘাতে ভাবি জোছনা ও ভাতিজা ইমন শারীরিক ভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে গুরুতর জখমের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ সকাল নয়টার সময় হোটেল মালিক গোলাম নবী হোটেলের আবর্জনা পাশের বড় ভাই মৃত লুৎফর রহমানের চাষের জমিতে ময়লা আবর্জনা ফেলে এই জমি লিজ নিয়ে চাষ করে তফসির রহমান। আর এই ময়লা ফেলাকে কেন্দ্র করে বড় ভাই চাষি তফসির রহমান ময়লা এবং ব্লিডিংর নোংরা পানি ফেলতে নিষেধ করায় হোটেল ভবন মালিক ছোট ভাই মাহাবুবুর রহমান ধারালো দা দিয়ে কোপ দেয় তফসির রহমানের পুত্র ইমন মিয়াকে (২৩)। ইমনের মা জোছনা বেগম পুত্রের রক্তাত অবস্থায় দেখে ঠেকাতে আসলে হোটেল মালিক গোলাম নবী বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত ও নাকে মুখে কিল ঘুষি মেরে তাকে গুরুতর আহত করে। মাহবুবুর রহমান ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে ভাস্তে ইমন ঠেকাতে গেলে উক্ত ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাম হাতের কব্জির উপরে আঘাত,  বুকের উপর আঘাতে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। ওই সময়ে বড় ভাবি জোসনা ঠেকাতে আসলে তাকে দেবর গোলাম নবী তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লাঠি দিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে এবং মারামারি ঠেকাতে আসায় মেয়ে হালিমা খাতুনকে মারপিট করে। এর মধ্যে মেয়ে হালিমা খাতুনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠায়, ভাবি এবং ছেলে দুজনে মাগুরা সদর হাসপাতালের বেডে কাতরাচ্ছে। অসুস্থ জোসনা বেগম আশঙ্কাজনক অবস্থায় বারে বারে বমি করতে দেখা যায়। আরও জানা যায় মাহাবুবুর রহমানের স্ত্রী বিথী বেগম ধস্তাধস্তির সুযোগে হালিমা খাতুনের গলার ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা মূল্যর প্রায় এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেন ছিনিয়ে নেয়। এছাড়াও মাহবুবুর রহমানের ব্লিডিং কোড না মেনেই সীমানা ঘেঁষেই তুলা হয়েছে যার ফলে নোংরা পানি দীর্ঘ দিন যাবৎ এই জমি প্রবেশ করে। 
 ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয়ভাবে জানা যায় যে মাহাবুবুর রহমান ও গোলাম নবী পক্ষ নিয়ে আপন ভাইয়ের এই হোটেলের আবর্জনা ভাইয়ের জমিতে অবৈধ বেআইনিভাবে ফেলাকে কেন্দ্র করে এই গোলমালের সৃষ্টির কারন। আহত ব্যক্তিরা মাগুরা সদর  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানা কর্তৃপক্ষকে কোন পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেন নাই। হাঁসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীরা জানান যে আমাদের মামলার অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে, আমরা এই ঘটনার অভিযুক্তদের বিচার চাই। 
গোলমালের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি গোলাম নবীর মোবাইল ফোনে রবিবার ১১ অক্টোবর দুপুর ২ টা ১৩ মিনিটের সময় ফোন দিলে মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। মাহবুবুর রহমান জানান, আমিও শারীরিক ভাবে আঘাত প্রাপ্ত তাই কথা বলার কোন শক্তি নেই তাই আমি কিছু বলতে পারবো না। আমার ভাস্তে সাংবাদিক মহব্বত আলীর কাছে শোনেন ঘটনার বিস্তারিত সবকিছু সে জানে।