• ঢাকা |

বিএনপির সম্মেলনে জাল ভোট, ধরা পড়ার পর ছুরিকাঘাত


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৪ অক্টোবর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিএনপির ইউনিয়ন সম্মেলনে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নুরনগর ইউনিয়নের আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শহিদুল্লাহ (৩৪) নুরনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন সরদারের ছেলে। হামলাকারী শাহজালাল (২৪) ছোট শ্যামনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের অধিবাসী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বাদশা ঢালীর পক্ষ হয়ে শাহজালাল একাধিকবার জাল ভোট দেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে আটক করলে তিনি শহিদুল্লাহকে চাকু দিয়ে আঘাত করেন।
শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গোলাম আলমগীর জানান, বিকেলে আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের সম্মেলন শুরু হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা থাকলেও আলাদা আলাদা স্থানে সম্মেলন না করে একই কেন্দ্রে আয়োজন করায় সেখানে বিপুল ভিড় জমে। এই সুযোগে বিএনপির সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন এমন শাহজালাল ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুথে পরপর কয়েকবার ভোট দেন। এক পর্যায়ে শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে শহিদুল্লাহ তাকে ধরে ফেললে শাহজালাল পকেট থেকে চাকু বের করে আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে।
অন্যদিকে স্থানীয় কয়েকটি সূত্র জানায়, ঘটনার পর শাহজালালকে আটক করে পাশের একটি দোকানে রাখা হয়। কিন্তু রাজবাড়ী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও যুবদল নেতা রাজু আহমেদ তার লোকজন নিয়ে গিয়ে ওই দোকান থেকে শাহজালালকে ছাড়িয়ে নেন। তবে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর বলেন, বিএনপির একটি পক্ষ শুরু থেকেই নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আসছে। তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। বিষয়টি বারবার জানানো হলেও জেলা নেতারা বা সাংগঠনিক প্রধান কেউ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। এতে অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।
শ্যামনগর থানার ওসি মো: হুমায়ুন কবির জানান, এ ঘটনায় তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।