ফারুক আহমেদ: মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলার ৪ নং রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৪ নং ওয়ার্ডে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার ২৯ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩ টার সময় রাজপাট-রাজাপুর আর এম এ দাখিল মাদরাসায় মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৪ নং রাজপাট ওয়ার্ড বিএনপি এর আয়োজনে কর্মী সমাবেশ করা হয়।
কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মেজর আলী খাঁন মাস্টার ও সঞ্চালনায় রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মজনু)।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট মিথুন রায় চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা বিএনপি সদস্য ও মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপি সাবেক আহবায়ক অধ্যক্ষ মৈমুর আলী মৃধা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডঃ এমএম রইচ উদ্দিন, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ শরীফুজ্জামান টুকু, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট আহসান হাবীব খান, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ মহিদুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আক্তারুজ্জামান বিল্লাহ, মহম্মদপুর উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ তরিকুল ইসলাম তারা, মহম্মদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দল আহবায়ক মোঃ আরিফুজ্জামান মিল্টন, রাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মির্জা মনোয়ার হোসেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, মাগুরা জেলা জাসাস সদস্য সচিব এম ফেরদৌস রেজা, মহম্মদপুর মহিলা দলের থানা কমিটির সদস্য কবিতা ইয়াসমিন বিউটি, মাগুরা জেলা যুবদলের সদস্য মোঃ শামীম হোসেন, মহম্মদপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ বায়েজিদ, ৮ নং নহাটা ইউনিয়ন বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ বাবুল মোল্যা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাগুরা জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক এ্যাডভোকেট মিথুন রায় চৌধুরী বলেন, রাজাপুর ইউনিয়নে ২০০৮ সালে নির্বাচনে দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করে এই রাজাপুর ইউনিয়ন ধানের শীষকে বিজয়ী করে ছিলো। আমাদের দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে আমরা দেখেছি রাজাপুরের ভূমিকা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বিক্ষোভ সমাবেশে মারুফ কে নির্মম ভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। বিএনপির ঘাটি হিসেবে বিগত ১৭ বছর দমন, পীড়ন ও নির্যাতন চলে ছিলো নেতা ও কর্মীদের উপর। আমরা ৫ই আগস্ট ২০২৪ সালে একটি ভয়ংকর ফ্যাসিবাদের হাত থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ছিলো একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন করে সকল রাজনৈতিক দলের অংশ গ্রহণে গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে পাবে। ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সালের নির্বাচনকে সামনে আর এর মধ্যে নির্বাচনকে নিয়ে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আজকে বাংলাদেশে দেখতে পাচ্ছি একটি পক্ষ যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব গণতন্ত্রের যে দীর্ঘ সংগ্রাম সেই সংগ্রামের ইতিহাস মুছে ফেলে ২৪ থেকে বাংলাদেশের ইতিহাস রচনা ও শুরু করতে চাই। মেহেদী হাসান রাব্বি কে গুলি করে হত্যা করা হয়ে ছিলো আজ কর্মীসভায় রাব্বির ছোট ভাই ইদ্রিস আলী উপস্থিত আছে। আপনারা তারেক রহমানের বক্তব্য গুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শুনবেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও গণমাধ্যম মিডিয়ার ফেসবুক ও সাংবাদিকদের ফেসবুক আইডি থেকে। এখানে আজ যারা উপস্থিত হয়েছেন তারা সবাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির কর্মী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আর্দশের কর্মী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্মী অতএব আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশ অনুযায়ী আমাদের বিএনপির নেতা ও কর্মীদের সবাইকে গ্রামে গ্রামে গিয়ে কাজ করতে হবে এবং সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে দেশনায়ক তারেক রহমানের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের আরেকটি লক্ষ্য হলো দেশের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কলকারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিশেষ করে মাগুরা জেলায় কর্মসংস্থান তৈরি করে বেকারত্ব দূর করা হবে।