• ঢাকা |

শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ 


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা ব্যতিত বাংলাদেশ বৈষম্যমুক্ত হবে না - ড. হেলাল উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক: শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংস্থার কার্যালয়ে ইফতার সামগ্রী বিতরণ পূর্বক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন।  

শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার সভাপতি আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সোসাইটি ফর ন্যাশনাল চ্যারিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন আহমেদ খান, শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি কাজী জগলুল আকবর সিপন, সহ-সভাপতি সরদার আবদুল কাদের, শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার সহ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হেলাল উদ্দিন শাহবাগ মানবকল্যাণ সংস্থার সামাজিক কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষের দায়িত্ব হচ্ছে তাঁর প্রতিবেশীর খোঁজ-খবর নেওয়া। বিপদে-আপদে পাশে থাকা। আল্লাহ মানুষকে মানুষের জন্য সৃষ্টি করেছেন। একজন মানুষের নৈতিক দায়িত্ব অপর মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকা। কিন্তু সমাজের একশ্রেণীর মানুষ আছে যারা জনগণকে শোষণ করে। স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে প্রত্যেক সরকার ও সরকারী দলের নেতাকর্মী দ্বারা এদেশের মানুষ শোষণের শিকার হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে সাধারণ জনগণ। বর্তমানেও যারা ক্ষমতায় আছে তাদের দলীয় নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি আর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মানুষ প্রতিনিয়ত জুলুমের শিকার হচ্ছে। কেউ চাঁদার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে তাকে হামলা ও মারধরের শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি চাঁদার জন্য মানুষকে তারা পাথর দিয়ে থেঁতলে-থেঁতলে হত্যা করেছে। নিজ দলের নেতাকর্মীরা হাতের কাছে নিরাপদ নয়। তারা নিজেরা নিজেদের দলের দুই শতাধিক নেতাকর্মীকে ইতোমধ্যে হত্যা করেছে। 

তিনি আরও বলেন, শোষণ ও জুলুমের হাত থেকে মুক্তির জন্য ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম হলে মানুষ শাসকগোষ্ঠীর শোষণ ও জুলুমের হাত থেকে রক্ষা পাবে। একটি মানবিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে। ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা ব্যতিত বাংলাদেশ বৈষম্যমুক্ত হবে না। বৈষম্যহীন নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে তিনি সমাজের প্রতিটি মানুষকে নিজ-নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।