• ঢাকা |

সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতারের ঘটনায় এবি পার্টির নিন্দা ও প্রতিবাদ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

 

বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনায় চরম অব্যবস্থাপনা ও যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ওহাব মিনার এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের রূঢ় আচরণ সমর্থনযোগ্য নয় এবং বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁর আচরণের নিন্দা জানাই। কিন্তু এ ধরনের ঘটনায় তড়িঘড়ি করে মামলা দায়ের ও গ্রেফতার করে হয়রানি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটি বাড়াবাড়ির চরম মাত্রা।

তারা বলেন, মদিনা থেকে ঢাকাগামী বিজি-৩৩৮ ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে প্রায় তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে ট্রলির সংকট, লাগেজ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘসূত্রতা এবং জমজমের পানি নিয়ে যাত্রীদের ভোগান্তির অভিযোগও এসেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন সংসদ সদস্য কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, সংসদ সদস্যদের লাগেজ যদি বিমানবন্দরে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে, তাহলে সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসী শ্রমজীবী মানুষের কী অবস্থা,তা সহজেই অনুমেয়। বিমানবন্দরে নিয়মিত লাগেজ বিড়ম্বনা, হয়রানি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ থাকলে সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

তারা আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখে। অথচ দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের ন্যায্য সেবা ও সম্মান নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র বরাবরই ব্যর্থ । রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায় শুধু তাদের উপার্জন গ্রহণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না,দেশে ফেরার মুহূর্ত থেকে তাদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

এবি পার্টির নেতারা বলেন, বিমানবন্দরের কর্মকর্তা ও মেজর ( অব:) আখতারুজ্জামান উভয় পক্ষের আচরণ ও দায়িত্বের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। কোনো কর্মকর্তার দায়িত্বে অবহেলা থাকলে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তারা অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তি এবং বিমানবন্দরের লাগেজ ও যাত্রীসেবা ব্যবস্থাপনার সামগ্রিক সংস্কারের দাবি জানান।