রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের মোমেনা বেওয়া তিস্তার ভয়াবহ নদীভাঙনে চরম বিপাকে পড়েছেন। বারবার স্থানান্তরের পর এবার আর ঘর সরিয়ে নেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য নেই তার। বাধ্য হয়ে সরাসরি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
মোমেনা বেওয়া জানান, বহু কষ্টে নিজ হাতে একটি ঘর নির্মাণ করেছিলেন, যা এখন নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। বয়সের ভার, অর্থের অভাব আর নদীর ভয়াল ভাঙনে তিনি আজ একেবারে দিশেহারা।
এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় জনগণের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ দেখা দেয়। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, প্রতি বছর তিস্তার ভাঙনে মানুষ গৃহহীন হয়, জমি হারায়, অথচ দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
তারা প্রশাসনের কাছে দাবি তুলেছেন, তিস্তার ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুত পুনর্বাসন, এবং ভাঙনপীড়িতদের জন্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।
এলাকাবাসীর মতে, মোমেনা বেওয়ার মতো হাজারো মানুষ প্রতিনিয়ত নদীর সাথে লড়াই করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন। প্রশাসনের তড়িৎ পদক্ষেপ ও টেকসই পরিকল্পনাই পারে এই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে।