• ঢাকা |

গাইবান্ধায় সরকারি খাস ও আবাদযোগ্য জমি ধ্বংস করে অবৈধ বালু উত্তোলন


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় সরকারি খাস জমি ও আবাদযোগ্য জমি ধ্বংস করে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে।উপজেলার তালুক কানুপুর ইউনিয়নের তাজপুর ও ফুলবাড়ী মৌজার কাটাখালী ব্রীজের পূর্ব পাশে নদী সংলগ্ন প্রায় ১ হাজার থেকে ২ হাজার গজ এলাকা জুড়ে এই অবৈধ কার্যক্রম চলছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,তালুককাপুর ও ফুলবাড়ী মৌজার যৌথ খাস জমি এবং সংলগ্ন আবাদযোগ্য জমি থেকে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার মেশিন,ভেকু ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে  বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।একটি সংঘবদ্ধ কুচক্রী মহল দীর্ঘদিন ধরে এই বালু উত্তোলন করে রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করছে।এতে করে কাটাখালী ব্রীজ,বিশ্বরোড,নদী সংলগ্ন বাঁধ ও আশপাশের এলাকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি কৃষিজমি নষ্ট হয়ে স্থানীয় জনগণ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।ভুক্তভোগীরা জানান,এর আগেও একাধিকবার প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে সাময়িকভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আবারও আগের মতো পুরোদমে শুরু হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে,নদী শাসন ও বালু উত্তোলন ও পরিবহন আইন অমান্য করে চান মিয়া নামে একাধিক মামলার আসামির নেতৃত্বে এই অবৈধ বালু ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে।রাতে নদী থেকে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে মজুত করা হচ্ছে এবং রাতভর ড্রাম ট্রাকের মাধ্যমে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হচ্ছে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ।গত ১২ ডিসেম্বর গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগকারীদের দাবি।এবিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইমরান খান বলেন,অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে এবং খুব দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এদিকে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ না হলে এলাকার পরিবেশ, অবকাঠামো ও কৃষি খাতের অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানার নিকট একাধিকবার ফোন করে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।