• ঢাকা |

জামায়াত ক্ষমতায় গেলে চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণসহ সকল অন্যায়ের মূলোৎপাটন হবে- অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

এস এম মোতাহিরুল হক শাহিন, তালা: ‎গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরে একটি দলের পোষ্য গুন্ডা বাহিনী দ্বারা এই এলাকার মানুষের উপর ব্যাপক অত্যাচার করা হয়েছে। মাছের ঘের, বাড়ি-ঘর, দোকান-পাটে ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। তাদের ব্যাপক হারে চাঁদাবাজির কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রাদায় সহ শান্তিপ্রিয় মানুষের ঘুম হারাম হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণসহ সকল অন্যায় কঠোর হাতে দমন করা হবে- তালায় নির্বাচনী জনসভায় একথা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ।

‎বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডাঃ মাহমুদুল হক।

‎সোমবার (২ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টা তেতুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে নওয়াপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ইউনিয়ন আমীর মাও: আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও মাও: আহম্মদ উল্লাহ'র সঞ্চালনায় এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। 

‎অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, কারা এলাকায় চাঁদাবাজি, লুটপাট, ধর্ষণ, দলবাজি করেছে আপনারা দেখেছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কোনো লোক এই কাজের সাথে জড়িত ছিল না। সেদিন জামায়াতের কর্মীবাহিনী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দির রক্ষার চেষ্টা করেছিলো। কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পাহারা দিয়ে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করেছিলো। যাতে পূজা উৎযাপনে কোনো বাঁধা না আসে সে জন্য মন্দির পাহারার ব্যবস্থা করিছিলো। আপনাদের একটি মাত্র ভোট হতে পারে সকল অন্যায়ের প্রকৃত প্রতিবাদ।

‎ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা করতে চাই, আপনারা আমাকে নির্বাচিত করলে একটি টাকা হারাম আমি খাবো না। আমি নিজে দূর্ণীতি করব না, কাউকে দূর্ণীতি করতে দেব না। সকল অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ও দূর্ণীতির লাগাম টেনে ধরতে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট চান তিনি।

‎তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা ন্যায় ও ইনছাপের প্রতিক। এই দলের কোনো লোক কখনো মজলুমের উপর অন্যায় করবে না, মিথ্যা মামলার আসামী করবে না। আমি শুনেছি, কয়েকটি মিথ্যা মামলায় সাড়ে ৫শ'র অধিক লোক কারাবরণ করেছে এখনো অনেকেই জেলে আছে। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে কোনো লোকের নামে মিথ্যা মামলা হবে না বলে জানান তিনি।

‎অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাঃ মোঃ সুজায়েত আলী, জেলা সহকারী সেক্রেটারী মাওঃ উসমান গণি, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ডাঃ আফতাব উদ্দীন, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু, ঢাকা উত্তরের যুববিভাগের উপদেষ্টা কাজী মাহফুজুর রহমান, ডঃ তৈয়েবুর রহমান প্রমুখ।