প্রেস বিঞ্জপ্তি
গত ২ মার্চ দৈনিক জনতা পত্রিকায় ‘বিটিসিএল-এ ঘুষ বাণিজ্য’ শিরোনামে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে, তার সাথে আমাদেও কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি উপ-সহকারী প’কৌশলী আহমেদ ফঝলে রাব্বিসহ ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ শ’মিক কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে তীব্র নিন্দা ও প’তিবাদ জানাচ্ছি। গতকাল ৩ মার্চ এ প্রতিবাদ লিপি বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে।
দৈনিক জনতা পত্রিকায় প’কাশিক বক্তব্যে বরা হয়েছেÑ বিটিসিএর সচিবের নাম ভাঙ্গিয়ে শ’মি দেও টাকা লুট করা হয়েছে। যা সবটাই ভুয়া ও ভিত্তিহীন। প’কাশিত সংবাদে বলা বিলোপযোগ্য কর্মচারীদেও চাকরি স্থায়ী করণের জন্য
জনপ’তি ৫শ’ টাকা কওে নেয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ বিভান্তিকর। একটি গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা হাসিরের জন্য বিভিন্ন পত্রিকায় অসত্য সংবাদ পরিবেশন কওে আসছে। যার সাথে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ শ’মিক কর্মচারী
ইউনিয়নের সভাপতি ও মহাসচিবসহ কেহ জড়িত নহে। ইতোপূর্বেগত ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘দৈনিক জনবাণী’ পত্রিকায়ও ‘সচিবের নাম ভাঙ্গিয়ে প’লোভন দেখিয়ে বিটিসিএলের কর্মচারীদেও সাথে প’তারণা’ শীর্ষক আরেকটি সংবাদ পরিবেশন করা হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা এ সংবাদেও তীব্র নিন্দা ও প’তিবাদ জানাচ্ছি। জনৈক সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন যে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করেছে তার সুস্পষ্ট কোনো ভিত্তি নেই। এহেন সংবাদ পরিবেশনে ‘বিটিসিএল’ কর্তৃপক্ষ বিভান্তির শিকার। সুনিদিষ্ট অভিযোগ ছাড়া পত্রিকায় প’কাশিত সংবাদ জনমনে বিভান্তি ছড়ায়। আমরা এ ব্যাপাওে সংবাদপত্রে বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানাচ্ছি। দৈনিক জনতা পত্রিকায় আমি ফজলে রাব্বি মত প’কাশ করি যে, “আমি ‘বিটিসিএল’-এর কেউ নহে। আমরা ‘ডট’-এর লোক। ডট ডেপুটেশনে আমাদের ‘বিটিসিএল’-এ কাজ করার জন্য নিয়োগ দিয়েছে।” আমরা ‘বিটিসিএল’-এর প’শাসনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গেও সাথে জড়িত নহে। আমরা এহেন সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে সংবাদপত্রগুলোর প’তি উদ্ধাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।