প্রতিবেশী ও আত্মীয় হিসেবে পরিচিত রানা মিয়া মাঝে মাঝে মনি'কে তার নিজস্ব অটো গাড়িতে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাতো এবং চানাচুর, বিস্কুট, কলা প্রভৃতি খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ভালোবাসার নিদর্শন দেখাতো।
ঘটনার দিন মনি'র বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে রানা মিয়া পছন্দের কথা বলে মনি'কে তার বসতবাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সে মনি'কে খাটে শুইয়ে তার হাফ প্যান্ট খুলে শরীরের প্রতি অসম্মানজনক আচরণ করার চেষ্টা চালায়। এর ফলে মনি প্রচণ্ড ব্যথায় চিৎকার শুরু করলে রানা মিয়া তাকে ছেড়ে দেয়।
মনি কান্না করতে করতে বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। বিষয়টি জেনে মনি'র পিতা-মাতা তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। স্থানীয় ভাবে এই ঘটনা মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।
পরে ভিকটিমের মা কল্পনা খাতুন বাদী হয়ে রাজারহাট থানায় রানা মিয়া নামে আসামি ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নাজমুল আলম দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। এছাড়া মনি'কে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং মেডিকেল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হচ্ছে।