প্রেস বিজ্ঞপ্তি: আজ বৃহস্পতিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচনে ১৫ নং ছাত্রী হলে (পুরাতন- বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা হল) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার মেয়েরা জাল ভোট দিয়েছে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরণের মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা ও সতর্কবার্তা জানিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার কেন্দ্রীয় সভানেত্রী মুনজিয়া ও সেক্রেটারি জেনারেল উম্মে আরওয়া বৃহস্পতিবার (১১.০৯.২৫) এক বিবৃতিতে বলেন, "ছাত্রদল ও বামপন্থী সংগঠনগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রীসংস্থার নামে মিথ্যাচার করছে। ১৫ নং ছাত্রী হলের অনিয়মের সাথে ছাত্রীসংস্থার কেউ জড়িত নয়। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে ইচ্ছেকৃত ভাবে এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।"
নেত্রীবৃন্দ বলেন, "ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইডি, গ্রুপ এমনকি ছাত্রদলের অফিসিয়াল পেইজ থেকে একটি ভিডিওর ক্যাপশনে পোস্ট করা হচ্ছে, "দরজা আটকিয়ে ছাত্রীসংস্থার মেয়েরা জাল ভোট দিচ্ছিলো, ড. নাহরিন ম্যাম হাতেনাতে ধরে ফেললেন।" অথচ ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে ভোট কেন্দ্রের শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে কথা বলছেন তিনি। ভিডিওতে ছাত্রীসংস্থার বিরুদ্ধে এমন কোন তথ্য প্রমাণ নেই। তাহলে ছাত্রীসংস্থার নামে কীসের ভিত্তিতে এ অভিযোগ করা হচ্ছে?"
নেত্রীবৃন্দ কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেন, "জুলাই আন্দোলনের পর আমরা বাংলাদেশে আর কোন বৈষম্য, অন্যায়, মিথ্যাচার, রাতের ভোট, ফ্যাসিজমের উত্থান দেখতে চাই না। আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে যার যার স্বাধীন মতামতের ভিত্তিতে দেশ ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের জন্য কাজ করে যেতে চাই। এখানে যে বা যারাই বাধা দিতে চাইবে কিংবা দায় চাপানোর মতো অসুস্থ রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চাইবে, তাদের সম্মিলিতভাবে রুখে দেওয়া হবে ইন শা আল্লাহ।"
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা নিরাপদ ক্যাম্পাসের স্বপ্ন দেখে, যে ক্যাম্পাসে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশ করতে পারবে, ধর্ম পালন করতে পারবে এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্য দিয়ে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে গড়ে উঠবে। আমরা সকলকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রচারিত মিথ্যাসংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।