সৈয়দ আখতার সিরাজী: বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেডের (BTCL) সম্পত্তি ও ইমারত বিভাগের কনিষ্ঠ সহকারী ব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দা. ম্যানেজার) আহমেদ ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায় 'বিটিসিএল'র ডিজিএম মালেক ও ম্যানেজার রাব্বীর দুর্নীতি' চরমে শীর্ষক এক মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করে। যার সবটাই ষড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা বলে প্রমাণিত। BTCL এর ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজার আহমেদ ফজলে রাব্বী গত ১৭ জানুয়ারি এক লিখিত বিবৃতিতে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি প্রিন্ট ভার্সনে ও ১৫ জানুয়ারি অনলাইনে প্রচ্ছদ "বিশেষ খবর" দিয়ে প্রচার করা হয়। যা সংবাদপত্র আইনের পরিপন্থী। আ. লতিফ রানা নামে এক ব্যক্তি ডিজিএমের অবৈধ কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে একজন শ্রমিক দরদী মানুষেরও মানহানি করেছে। জনাব ফজলে রাব্বী বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। অবৈধভাবে কোয়ার্টার দখল করার কথা বলে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। ট্রেনিং সেন্টারকে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দেয়ার সাথে কে বা কারা জড়িত, তা আমাদের জানা নেই। একটি সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজচক্র নিজেদের আড়াল করতে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।
এসব কর্মকাণ্ডের সাথে জিএম মালেক ও ফজলে রাব্বী জরিত নয় বলে BTCL এর এক নেতা জানান।
অথচ দুর্নীতিবাজ চক্রটি অর্থ হাতিয়ে নিতে এহেন সংবাদ পরিবেশনে সহায়তা করেছে। যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে! প্রকৃত অর্থে কারা এ অপকর্মের সাথে জড়িত। কথিত আছে সাবেক যুবলীগের কিছু নেতা যুবদল কর্মীর সাথে মিশে অর্থ বাণিজ্যে নেমেছে। যার সাথে এক শ্রেণির সাংবাদিকও জড়িত।