• ঢাকা |

দেশের অর্থনীতির প্রাণ এসএমই ও এমএসএমই খাত : এসএমই বৈশাখী মেলা উদ্বোধনে শিল্পমন্ত্রী


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

রুহুল ইসলাম মিঠু, সিলেট জেলা প্রতিনিধি : বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের অর্থনীতির প্রাণ হলো এসএমই ও এমএসএমই খাত। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি বড় অংশ অনানুষ্ঠানিক খাতভিত্তিক, যেখানে এসএমই খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে “এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩”-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি এসএমই খাতের উন্নয়নে ৩০০ কোটি টাকার একটি ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, যা প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও ৪টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০০০ কোটিতে উন্নীত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, এসএমই খাতের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনা এবং অধিকসংখ্যক মানুষকে এ খাতে সম্পৃক্ত করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে সরকার সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং উদ্যোক্তাদের পাশে থাকবে।

মেলার সফল আয়োজনের জন্য এসএমই ফাউন্ডেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান।

এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে ৭ দিনব্যাপী “এসএমই বৈশাখী মেলা ১৪৩৩”।

এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ও শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সামিম আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উৎসবের চেতনাকে ধারণ করে নতুন বছরের আনন্দকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পরিবার-পরিজন, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে বৈশাখ উদযাপনের সুযোগ করে দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মেলায় ১৫০টিরও বেশি স্টলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত এসএমই উদ্যোক্তারা হস্ত ও কারুশিল্প পণ্য, পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক ও ফ্যাশন সামগ্রী, কৃষিজ প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ঐতিহ্যবাহী (হেরিটেজ) পণ্য, হোমমেড খাবার ও স্ট্রিট ফুড, কৃত্রিম গয়না, চামড়াজাত পণ্য এবং সুগন্ধি ও লাইফস্টাইল পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মেলাটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।