• ঢাকা |

পাবনায় পেঁয়াজের বীজতলা তৈরিতে ছাই-গোবরের ব্যবহার, কমবে উৎপাদন খরচ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

মনছুর আলম, পাবনা প্রতিনিধি: পানি কমার সাথে সাথে শুরু হয়েছে পাবনার মাঠে মাঠে পেঁয়াজের বীজতলা তৈরির কাজ। কৃষকেরা এবছর বীজতলায় রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে ছাই ও গোবর ব্যবহার করছেন; যার সুফলও পাচ্ছেন তারা। এতে চারার বৃদ্ধি ও শেকড় শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমছে বলে জানিয়েছেন কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাগণ।

জেলার সাঁথিয়া, সুজানগর, আটঘরিয়া, চাটমোহর, ফরিদপুর ও পাবনা সদরের বিভিন্ন এলাকায় পেঁয়াজের বীজতলায় ছাই ব্যবহারের প্রচলন বাড়ছে। কৃষকদের মতে, ছাই ব্যবহারে চারা সতেজ থাকে এবং চারা উত্তোলন ও পুনরায় রোপণের সময় ক্ষতি কম হয়। পাশাপাশি জৈব উপাদানের ব্যবহার মাটির গুণাগুণ রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখে।

এদিকে, আগে রাইস মিলের ছাই তেমন কাজে না লাগলেও এখন তা কৃষিপণ্য হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা প্রতি বস্তা ছাই ৩০-৪০ টাকায় কিনে পরিবহন খরচসহ কৃষকদের কাছে ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি করছেন। এতে নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

সাঁথিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব আল মারুফ ও ফরিদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল-ইমরান জানান, বীজতলায় ছাই ও গোবরের ব্যবহার চারার বৃদ্ধি এবং মাটির গুণাগুণ উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। তবে সঠিক মাত্রায় ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পাবনার উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবেদককে জানান, এ বছর জেলায় ৫৬ হাজার ৫৭৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ এবং ৯ লাখ ৫০০ মেট্রিক টন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বীজতলায় ছাই ও গোবরের যথাযথ ব্যবহার বাড়লে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে আমারা কৃষককে উৎসাহিত করছি।