রাজশাহী ব্যুরো অফিস : রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর ভুক্তভোগীদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করেছে ধর্ষনকারীর সমর্থকরা। আর এর পর থেকে বিপাকে পড়েন আতংকে ঘর ছাড়া হয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান,জীবীকার তাগিদে প্রতিবন্ধীর বাবা-মা ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করেন। এদিকে প্রতিবন্ধী ওই মেয়ে দাদি ও চাচার কাছে থাকেন। গত ২৬ অক্টোবর সকালে বাড়িতে একা পেয়ে প্রতিবন্ধী মেয়েকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় স্থানীয় প্রভাবশালী আজিজুল। তবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব তৌহিদুল মাস্টার। এমনকি ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে বিষয়টি সমাধান করার প্রলোভন দেখানোর পাশাপাশি থানায় মামাল দায়ের করতেও বাঁধা দেন তিনি। পরে ২৮ অক্টোবর বাদি হয়ে পুঠিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়ের মা আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতা তৌহিদুল মাস্টারের নেতৃত্বে তাদের ঘর বাড়িতে হামলা চালানো হয়।নানারকম হুমকি ধামকি আর হামলার ভয়ে ঘর ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
অসহায় প্রতিবন্ধীর চাচা আলাউদ্দিন অভিযোগ করে বলেন. ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর তৌহিদ মাস্টারের নেতৃত্বে আফতাব, শহিদুল, বাক্কার ও মৃত সেরাজ আলীর ছেলে ধর্ষণ মামলার আসামি আজিজুলসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় যুবক আমার বাড়িতে হামলা চালায়। ভয়ে আমরা কেউ বাড়িতে থাকতে পারছিনা বাহিরে রাত কাটাচ্ছি।
এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, এটি একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ। আমরা এ ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি যাতে কেউ আর প্রতিবন্ধী নারীর সাথে এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়।
এবিষয়ে কথা বলতে স্থানীয় বিএনপি নেতা তৌহিদুল মাস্টারকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: কবির হোসেন জানান, প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।আর তাদের বাড়ি ঘরে হামলার ঘটনা আমাদের জানা নেই।