দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি এবং ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রস্তাবিত একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদন মিলেছে। এর ফলে প্রযুক্তিপণ্য খাতের এই দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।
বুধবার (৩ জুন) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম)-এ ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে এই অনুমোদন প্রদান করা হয়। সভায় শেয়ারহোল্ডাররা প্রস্তাবটিকে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেন।
কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানায়, এই একীভূতকরণের মাধ্যমে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও বিস্তৃত হবে এবং উৎপাদন সক্ষমতা ও বাজার সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসবে। একই সঙ্গে পরিচালন ব্যয় হ্রাস এবং সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হবে, যা দীর্ঘমেয়াদে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অধিক মূল্য সৃষ্টি করবে।
ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, এই একীভূতকরণ প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা ও উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার কৌশলকে একীভূত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরও দ্রুত হবে এবং ব্যবসায়িক কার্যকারিতা বাড়বে।
সভায় জানানো হয়, একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। এই হিসাবে ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যুর পরিকল্পনা রয়েছে।
শেয়ারহোল্ডাররা এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করে উভয় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদকে অভিনন্দন জানান। তাদের মতে, এই একীভূতকরণ দেশের প্রযুক্তিপণ্য শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও শক্ত অবস্থানে নিতে সহায়তা করবে।