• ঢাকা |

পানিপাড়ায় জমজমাটভাবে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ ও গ্রামীণ মেলা


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

সৈয়দ জহুরুল হক টুটুল, আলফাডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার পানিপাড়া বিলে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী বার্ষিক নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা ও গ্রামীণ মেলা। পানিপাড়া যুবসমাজের উদ্যোগে আয়োজিত এ নৌকা বাইচকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেল ৪টায় পানিপাড়া বিলে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজন দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী উপস্থিত হন। নৌকা বাইচকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকা পরিণত হয় মিলনমেলায়।

নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য (ফরিদপুর-১) খন্দকার নাসিরুল ইসলাম নাসির।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসরাফিল মোল্লা। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম দাউদ, পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জামান কদর, 
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহম্মদ আলী সিকদার, পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুর রহমান, শেখর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ, সাতৈর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এলিম বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হেমায়েত হোসেন এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং মেলা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক মোঃ নিয়ামত হোসেন পারভেজ। মেলা আয়োজন কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ আমিনুর ফকিরের পরিচালনায় এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ কেরামত আলীর সঞ্চালনায় আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

আয়োজকরা বলেন, নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানুষের মিলনমেলার অন্যতম মাধ্যম। প্রতিবছরের মতো এবারও উৎসবমুখর পরিবেশে নৌকা বাইচ ও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে।