ড. মো. মনছুর আলম: বিংশ শতাব্দী ছিল বাংলা সাহিত্যের জন্য এক ঊর্বর-উর্মিমূখর যুগ। ভাষা-শিল্প, সাহিত্য-সংস্কৃতি, ধর্ম-দর্শন, অর্থ-বাণিজ্য, নারীর অধিকার, ভোটাধিকার, সমাজ সংস্কার, রাষ্ট্রগঠন ইত্যকার বিষয় ছিল জাতীয় ইস্যু। জাতীয় জীবনের এই বিক্ষুব্ধ, আলোড়িত ও সংগ্রামকামী ক্ষেত্রে জ্ঞানযোগী ও কর্মযোগীগণের দুশ্চর সাধনা তখন অন্তর-বাহির একাকার হয়েছিল। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় কোনো কাবির রচনাই যুগ নিরপেক্ষ নয়। কবিদের কাব্যের মূল লক্ষ্যই ছিল এই আবির্ভূত সত্য; যাকে বলি স্বদেশীকতা: দেশপ্রেম-দেশপ্রীতি। কবি ওমর আলী এই যুগ আদর্শের কবি হবেন এটাই স্বাভাবিক। বিংশ শতাব্দীর এই উজ্জ্বল মধ্যাহ্নে ধূমকেতুর মতো আবির্ভূত হলেন কবি ওমর আলী। কৈশোরে তিনি দেখতে পেলেন প্রিয়তম মাতৃভাষার উপর হায়না-শকুনের উন্মুক্ত ছোবল। যৌবনে দেখলেন রবীন্দ্র-চর্চা নিষিদ্ধ, বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির টুটি চেপে ধরা। আইউবী দুঃশাসনে বাংলা কবিতা সবচেয়ে দুঃস্বপ্নের কাল অতিক্রম করছে। কবিতাকে আঘাত করা হচ্ছে যত্রতত্র। বাংলা কাব্য বাংলা সাহিত্য এমনই এক ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ সময় অতিক্রম করছে। ঠিক এমন সময় কবি ওমর আলী প্রকাশ করলেন তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ “এদেশে শ্যামল রঙ রমণীর সুনাম শুনেছি”(১৯৬০)। বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতির এমন ঝঞ্ঝা-বিক্ষুব্ধ সময় কবি ওমর আলীকে কতটুকু স্পর্শ করেছিল তা গবেষণার বিষয়। তবে একথা দিবালোকের মত সত্য যে, কবি ওমর আলীর ইন্দ্রজগতে বাসা বেঁধেছিল নারী প্রেম ও নারীর সৌন্দর্য, বিশেষ করে এদেশের শ্যামা রঙ রমণী। ছিল সুন্দরের সাথে সত্যের আত্মিক বন্ধন। কল্পনা আর ফর্মের ভিতর দিয়ে যার সামঞ্জস্য রক্ষিত। কবিসত্তার চিরায়ত কল্পনা ক্ষুদ্র বৃত্তের মধ্যে শান্ত হয়ে উঠে অশান্ত, সমুদ্র হয়ে উঠে মহাসমুদ্র। পৃথিবীতে যা কিছু সুন্দর তাই সত্য; তাই বহির্জগৎ কিংবা অন্তর্জগৎ কিংবা অধাত্মজগৎ। কবি ওমর আলীর ‘বেদনার মন’ কাব্যে এমন কথারই অনুরণন লক্ষ্য করা যায়। কবির ভাষায়-
“একটি তীক্ষè ঢিল বিদ্ধ ক’রে মনের অতলে
যদি কেউ ভেবে দেখে কি হয় সেখানে’—
এক নারী চোক রেখে পুকুরের জলে
বললো ক্লান্ত স্বরে, ‘তা হ’লে সে জানে’—”- ওমর আলী, বেদনার মন, পৃ. ২৩।
আমরা জানি বাহির অন্তর অধ্যাত্মজগতের যে পদার্থই রূপেন্দ্রীয় গ্রাহ্য, যে পদার্থেরই সাথে রূপেন্দ্রীয় সংযোগ সম্ভব- তাই সুন্দর। এই সত্য ও সুন্দর থেকে উৎপন্ন হয় কাব্য। কবি সৌন্দর্য চক্ষু দিয়ে কাব্য তিলোত্তমা রচনা করেন। তাই সৌন্দর্য যে কোন কাব্যের সার। সৌন্দর্য সৃষ্টির দক্ষতার উপর নির্ভর করে কাব্য ও কবির মান। কবি ওমর আলীর কবিতার সৌন্দর্য পাঠে নয়, অনুভব, স্পর্শ, গন্ধ এবং স্বপ্নের ভেতর দিয়ে নিতে হয়। তাঁর কবিতা শুধু চর্মচক্ষু বা কর্ণ দিয়ে শ্রবণ নয়; সর্বইন্দ্রিয় দিয়ে নিতে হয়। কবির ভাষায়-
“ নীল গ্রামে নীল চোখ মেয়ে আছে। কথা নেই মুখে।
আয়ত কাজল চোখে কতো কথা জড়াজড়ি করে।
অবাধ্য সৌন্দর্য ভরা দেহে যে রঙিন শাড়ী পরে।
বাতাস, নদীর ভাষা শিহরণ আনে তার বুকে।”- ওমর আলী, সবুজ সুনীল মাছরাঙার দেশে, পৃ. ৪৬।
কাব্যসাহিত্য মূলত বাক্যমালার সমষ্টি। বাক্যমালায় যদি মুক্তোদানা না থাকে তবে তা সাধারণ মালার পর্যায়ভুক্ত হয়। অলঙ্কার হচ্ছে বাক্যের মালা-মুক্তোর মত, যেখানে প্রয়োগ হবে সেখানেই এর ঔজ্জ্বল্য এর চমৎকারিত্ব প্রকাশ পাবে। কাব্যে সাধারণ বাক্যমালা তৈরি করা কঠিন কিছু নয়, তবে অলঙ্কারবহুল, ঝঙ্কারবহুল বাক্য তৈরি বেশ কষ্টসাধ্য ও প্রতিভার পরিচায়ক। সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধি এবং কবির কবিত্ব প্রতিভার মূলায়নের জন্য তাই এগুলোর প্রয়োজন অনস্বীকার্য। একটি বাক্যে ঝঙ্কার অনুপস্থিত থাকতে পারে কিন্তু অলঙ্কার থাকতেই হবে। আর কবি প্রতিভার শ্রেষ্ঠ গুণই হচ্ছে অলঙ্কার সমৃদ্ধবাক্য তৈরী করা। ওমর আলীর মধ্যে এই গুণতো ছিলই তিনি তাঁর কাব্যে এর চেয়েও এক্সটা কারিশমা দেখিয়েছেন। তিনি তার কিছু কিছু কবিতায় একই বাক্যে জীবন ও জীবনের ক্রিয়াকলাপের অলঙ্করণ করেছেন জীবনের পূর্ণ চিত্র অঙ্কন করেছেন। বাক্যের এই অলঙ্করণ গুণ স্বয়ং কবি ভিন্ন অপরের বুঝা কঠিন। কবি ওমর আলীর অনেক কাব্যেই এই ধরনের বাক্য উপমা লক্ষ্য করা যায়। কবির ভাষায়-
“দূর হতে ভ্রƒভঙ্গিতে আমার হৃদয়ে তীক্ষ্ন তীর
বিঁধতে। তোমার তীব্র সৌন্দর্যের অসহ্য অগ্নিতে
আমার রক্তকে জ্বেলে কোরে দিতে ভীষণ অস্থির;
ছিলাম দুঃিখত তুমি বিহনে নির্জনে, শর্বরীতে।”- ওমর আলী, একদিন তুমি, পৃ. ২৮।
তবে কাব্যকে বা বাক্যের অলঙ্করণ করতে গিয়ে দুর্বোধ্য ভাষার তৈরি করাও ঠিক নয়। আমরা জানি একটি ভাষার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ হচ্ছে তার কাব্য বা কবিতা। সমালোচকের মতে, ‘এড়ষফবহ ঃযৎবধফ ড়ভ যঁসধহ ঃযড়ঁমযঃ’। ভাষা পরিবেশনির্ভর, পরিবেশকাতর; সমাজের জন্য নির্মিত ভাষা। কাব্য যে সমাজে বিকশিত হয়, বাঁচে, আধুনিকতার দিকে ধাবিত হয়, সর্বজনীনতা লাভে সক্ষম হয়- ভাষা সে সমাজেই চাহিদার ফসল। কবিতার আবেদন, ভাব নঞর্থক হলে তার ভাষাও নীরস, আবেদনশূন্য ও তাৎপর্যহীন হয়। দুর্বোধ্য ভাষা বলে স্বতন্ত্র ভাষা নেই, ওটা ভাষা ব্যবহারের কৃত্রিমতা। আমি মনে করি এটা কবির ভাষা-সঙ্কট; যা কবিতাকে কোটরাগত করার অপচেষ্টা বা অপকৌশল। সমালোচকের মতে, “দুর্বোধ্যতার বিলাস কবিতার পক্ষে প্রায় আত্মহত্যারই শামিল”। এই শতাব্দীর ত্রিশের দশকের কবিদের কবিতায় সাধারণত ভাষার লোকজ আহরণ, অতীতিক প্রত্যাবর্তন, মিথের আশ্রয়ন, বৈদেশিক তন্তুবায়ন থাকলেও তাদের হাত ধরে বাংলা কবিতা আধুনিকতাকে পরিপূর্ণরূপে গ্রহণ করে। শুরু হয় বিচিত্র প্রতিভা বিকাশের যুগ। প্রত্যহ-জীবনের নানান উপলব্ধিকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রকাশ করাই ছিল বিংশ শতাব্দীর আধুনিকতার বৈশিষ্ট্য। বুদ্ধদেব বসু আরো একধাপ এগিয়ে বলেছেন, “বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যের ইতিহাস কবিতার দ্বারা গদ্যরাজ্য জয়ের ইতিহাস”। কবি ওমর আলী সে যুগেরও তিন দশক পরে আবিভূত হন। তাই তিনি কাব্য সাহিত্যের জগতে একটি প্রস্তুতকৃত জগৎ পেয়েছিলেন। সেটা যাই হোক, কবি ওমর আলীর বেশিরভাগ কবিতা রচিত হয়েছে অলঙ্কার সমৃদ্ধ, ঝঙ্কার সমৃদ্ধ সহজ-সরল ভাষায়। আর সে ভাষায় থাকতো বাংলার চিরায়ত সবুজ-শ্যামলিমার সোঁদা গন্ধ আর শ্যামল রঙ রমণীর সুনাম। কবির ভাষায়-
“ত্রিসন্ধ্যায়ও ভাবিনি সে মুখ,
কালোর উপর সাদা খড়িমাটি দিয়ে এঁকে রাখাঃ
চোখের উপর ভুরু। চুলের রশির নিচে কর্ণদ্বয়, মসৃণ কপাল।
দু’চোখের নীচে দুটি গাল,
মাঝখানে নাসিকার নীচেই দু’ঠোঁট,
চিবুক।
ত্রিসন্ধ্যায়ও ভাবিনি সে মুখ।”- ওমর আলী, চিত্রমুখ, পৃ. ৪৭।
কবি তাঁর চর্ম চক্ষুর সামনে রাখেন বিশ্ব স্রষ্টা ও সৃষ্টিজগৎ। আর এ থেকেই তৈরী হয় তাঁর কল্পনার জগৎ। এই কল্পনা নানা রঙে রঞ্জিত হয়ে সৃষ্টি হয় কবিতা বা কাব্য। কবি ওমর আলী সাধারণত পারিপার্শ্বিক আবস্থাকে হৃদয়ে ধারণ করে কবিতা লিখতেন। আর এই পারিপার্শ্বিক আবস্থা হলো তাঁর দেশ ও সমাজ। ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করতে তিনি তাঁর পারিপার্শ্বিক আবস্থা তুলে ধরেছেন তাঁর বেশিরভাগ কাব্যে। দেশ-কাল-পাত্র ভেদে কবি ওমর আলী নিজেকে প্রকাশ করতে গিয়ে, আত্মপ্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, পাঠকরে মন জয় করতে গিয়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছেন। সেই কৌশলের মধ্যেও তিনি দেশ ও দেশমাতৃকাকে, দেশের নদ-নদী, মাঠ-ঘাট, ফুল-ফল, লতা-পাতা দিয়ে নিজের সাথে বেঁধে রেখেছেন। কবি ওমর আলীর ভাষায়-
“বিচিত্র ফুলের মাঠ, স্নিগ্ধ নদীতীর,
ঝুমকোলতার বন, পিয়ালের শাখা,
আমের নতুন পাতা, মুখর পাখির
শত কণ্ঠ, আর এই প্রিয় দেশ আঁকা।”- ওমর আলী, দূরের গান, পৃ. ৪৬।
কবি ওমর আলী তাঁর কাব্য প্রকাশে বিভিন্ন কলা-কৌশল অবলম্বন করলেও অনুভূতি নির্ভর মন্ময় কাব্য তৈরী তাঁর শ্রেষ্ঠ অবদান। কবি যখন আত্মঅনুভূতি বা একান্ত ব্যক্তিগত বাসনা আনন্দ-বেদনা তাঁর প্রাণের অন্তস্থল থেকে আবেগর মূর্ছনা মূর্তিতে প্রকাশ করে থাকেন তখন কবিতা হয়ে উঠে সহজ-সরল এবং সুরেলীয়। কবি ওমর আলী এই ধরনের আনেক কবিতা লিখেছেন। তাঁর ভাষায়-
“যে সুরে কথা থাকে অনেক রাশি রাশি
একটি গান শুধু ঃ তোমাকে ভালোবাসি।”- ওমর আলী, তোমাকে ভালোবাসি, পৃ. ২৩।
কবি ওমর আলীর কাব্যের সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এটা দিবালোকের মত পরিস্কার যে, তাঁর কাব্যে মানবতা, মানবপ্রেম, মা-মাটি-দেশ, দেশমাতৃকা তথা শ্যামলিমার নদ-নদী, মাঠ-ঘাট, ফুল-ফল, লতা-পাতা, শ্যামা রঙ রমণী সর্বপরি গ্রামীণ অনুসঙ্গ মূর্ত্ত্যয়ণ হয়ে উঠেছে বেশি। কবি ওমর আলী সময়ের প্রতিটি কাল-ক্ষণ-মুহূর্ত এমন কি বাকশূন্য অবস্থাকেও যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছেন। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত হওয়া সত্ত্বেও কবি ওমর আলীর কাব্য ভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ। সমকালীন প্রথিতযশা কবি-সাহিত্যিকদের মত সুযোগ-সুবিধা পেলে অথবা ঢাকা শহরে আবস্থান পোক্ত হলে তিনিও দেশ ছাপিয়ে বিশ্বপরিমণ্ডেলে প্রতিনিধিত্ব করতেন। কবি ওমর আলী অর্ধ শতাব্দীরও অধীককাল সাহিত্য সাধনা করেছেন, লেখুনীর মাধ্যমে সমাজের সেবা দিয়ে গেছেন। বিচিত্র প্রতিভার সুষমায় উদ্ভাসিত হয়ে বাংলা সাহিত্য; কবিতা, গল্প, ঔপন্যাস, প্রবন্ধ, ছোট গল্প, কথাকাব্য, শিশুসাহিত্য ইত্যাদি রচনা করেছেন। সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ হলেও মূলত কাব্য সাহিত্যে অবাধ বিচরণ তাঁর; বিশেষ করে মৃত্তিকাশ্রয়ী কাব্য সাহিত্যের শিল্প, শৈলী ও গঠনে তিনি অত্যান্ত পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন। পারঙ্গমতা দেখিয়েছেন প্রেমের রূপায়ণে।
কবি ওমর আলী আমার সরাসরি শিক্ষক। ১৯৯১ সালে শহিদ বুলবুল সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হবার সুবাদে ওমর আলী স্যারের সান্নিধ্যে আসি। স্যার আমাদের ইংরেজি ক্লাস নিতেন। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১০ সাল হতে (স্ত্রীর চাকরির সুবাদে) আমার আবার পাবনা শহরে আসা; বলতে গেলে স্থায়ী বসবাস শুরু। ধীরে ধীরে বিভিন্ন সামাজিক-সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত হই। কবি ইদ্রিস আলীর সাথে ঘনিষ্টতা; ইদ্রিস ভাইয়ের মাধ্যমে কবি ওমর আলী সারের খোঁজ নিতে থাকি। স্যারের দেখার সুতিব্র বাসনা শেষ পর্যন্ত কবি ইদ্রিস আলী ভাইয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হলো। ২০১৪ সালের কোন এক সময় কবি ইদ্রিস আলী ভাই আর আমি কবি ওমর আলী স্যারের সেই চর কোমরপুর গ্রামে যাই। স্যার তখন বাকশূন্য অবস্থায় কালাতিপাত করছেন। আমি পরিচয় দেওয়াতেও কোন কাজ হলো না; তবে ইদ্রিস ভাইকে সহজেই চিনতে পারলেন এবং দু’চোখ দিয়ে পানি ছেড়ে দিলেন। স্যারকে দেখমাত্রা বুকের মধ্যে এক ধরনের শূন্যতা অনুভূত হলো।
‘এদেশে শ্যাম রঙ রমণীর সুনাম শুনেছি’ খ্যাত কবি ওমর আলী ২০ অক্টোবর ১৯৩৯ সালে পাবনা সদর উপজেলার চর কোমরপুরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ৩ ডিসেম্বর ২০১৫ সালে অসুস্থতাজনিত কারণে নিজ ভিটায় ইন্তিকাল করে। একুশে পদক এবং বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত কবির ৮৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। [ লেখক : কবি ও প্রাবন্ধিক, সভাপতি : সাহিত্য ও বিতর্ক ক্লাব পাবনা।]