• ঢাকা |

নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহে মেঘনা লাইফের বিশেষ ক্যাম্পেইন


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক: নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ এবং তামাদি ও পেইড-আপ পলিসি পুনরায় চালুর লক্ষ্যে চার মাসব্যাপী বিশেষ ক্যাম্পেইন শুরু করেছে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি।

কোম্পানির ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ‘নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ উৎসব’ নামে এ ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।

সম্প্রতি ঢাকায় ‘নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ ও তামাদি পলিসি চালুকরণ’ বিষয়ে আয়োজিত এক উন্নয়ন সভায় এ কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। সভায় সারাদেশ থেকে আসা কোম্পানির বিভিন্ন স্তরের উন্নয়নকর্মীরা অংশ নেন।

সভায় সেপ্টেম্বর মাসে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহ এবং তামাদি/পেইড-আপ পলিসি চালুর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনকারী মাঠকর্মীদের পুরস্কৃত করা হয়।

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন আহমদ বলেন, নবায়ন প্রিমিয়াম লাইফ বীমার মূল চালিকাশক্তি। তবে এ খাতে নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের তুলনায় প্রথম বর্ষের প্রিমিয়াম সংগ্রহের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে বিপুলসংখ্যক পলিসি তামাদি ও পেইড-আপ হয়ে যাচ্ছে, যা বীমা খাতের সমস্যা বাড়ানোর অন্যতম কারণ।

তিনি বলেন, আধুনিক ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বিভিন্ন ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে মেঘনা লাইফ নবায়ন প্রিমিয়াম সংগ্রহের পাশাপাশি তামাদি ও পেইড-আপ পলিসি পুনরায় চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি মোট ৪,৪২৮.৫০ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালে ২৮৬.৭৮ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করা হয়। ওই বছর কোম্পানির দাবি পরিশোধের হার ছিল ৯৮.৭৪ শতাংশ।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানিটি ১৯৪.১৮ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে।

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, মৃত্যু দাবি সহ সব ধরনের বীমা দাবির অর্থ আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে পলিসিহোল্ডারদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিইএফটিএন ও আরটিজিএস ব্যবস্থার ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে পলিসিহোল্ডাররা ঘরে বসেই বীমা দাবির অর্থ গ্রহণ করতে পারছেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন কোম্পানির ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ (পাভেল), পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ তারেক, এফসিএ, কনসালটেন্ট ও হেড অব মার্কেটিং জয়নাল আবেদীন ভূঁঞা, এফএলএমআইএ এবং কোম্পানির বিভিন্ন পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মকর্তারা।