• ঢাকা |

মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা, সাক্ষীই ছিলেন না ঘটনাস্থলে


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে চরবংশী মোবারকিয়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবুল কাশেম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মারামারির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার তৃতীয় সাক্ষী বাবুল মাঝি জানিয়েছেন, ঘটনার দিন তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন না; সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে, মামলার আসামিদের দাবি, মামলায় উল্লেখ করা ৫ অক্টোবর তাঁদের বাড়িতে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। এতে মাওলানা আবুল কাশেম, তাঁর ছেলে আব্দুল আহাদ (২৩), ভাই জাকির, জাকিরের ছেলে তামিম (২০) ও কাউসার, জাকিরের স্ত্রী রেহানা, মেয়ে হাবিবা (২৩) এবং মোখলেস বেপারীর মেয়ে ছামিয়াকে (১৯) আসামি করা হয়েছে। 
মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক মাওলানা আবুল কাশেম বলেন, ৫ অক্টোবর তাঁদের বাড়িতে কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। মামলায় উল্লেখিত সময়ে তিনি স্থানীয় নাইয়া বাড়ি জামে মসজিদে ছিলেন ও তাঁর ছেলে আব্দুল আহাদ রায়পুর শহরের নতুন বাজার এলাকায় তাঁদের ভাড়া বাসায় ছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগেও বাবুল মাঝি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন।
মামলার আরেক আসামি জাকির হোসেন বলেন, মামলায় উল্লেখিত তারিখে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। চিকিৎসার জন্য মাইজদী সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন।
জাকিরের স্ত্রী রেহানা বলেন, ৫ অক্টোবর তাঁর স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি ও তাঁর ছেলে তামিম তাঁকে দেখতে মাইজদী সরকারি হাসপাতালে গিয়েছিলেন।
এদিকে, মামলার তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে উল্লেখিত বাবুল মাঝির কাছে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মামলার বিষয়ে কিছু সত্যি না হলে কি আর মামলা হয়?” তবে ঘটনার দিন তিনি বাড়িতে ছিলেন না বলে জানান। তাঁর ভাষ্য, সেদিন তিনি সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন।
মামলার বাদী শারমিন আক্তার রিমাকে একাধিকবার কল দেওয়ার পরেও এজাহারে দেওয়া তার নাম্বারটি বন্ধ দেখা গেছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আবদুল আউয়াল রাছেল বলেন, আমার মক্কেলদের বিরুদ্ধে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সময় তাঁরা ঘটনাস্থলে ছিলেন না এবং ৫ অক্টোবর কোনো মারামারির ঘটনাও ঘটেনি। তাঁরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আদালতে নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করবেন।