ফারুক আহমেদ: নহাটা বাজারে কসাই দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে অসুস্থ গরু জবাই ও মাংস বিক্রয়, এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে উত্তেজনা ও হেনস্তার অভিযোগ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছে ৩ সদস্য বিশিষ্ট সরকারি তদন্ত কমিটি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত এই কমিটি সরেজমিন তদন্ত শেষে তাদের মতামত ও পর্যবেক্ষণ দাখিল করে।
তদন্তের পটভূমি
গত ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের বাশার মীরের কাছ থেকে কসাই দুলাল মিয়া একটি গাভী ক্রয় করেন। অভিযোগ ওঠে, গরুটি অসুস্থ ও পচনধরা অবস্থায় জবাই করে মাংস বাজারজাত করা হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ এবং বাজারে উত্তেজনার ঘটনাও তদন্তের আওতায় আসে।
তদন্ত কমিটির সদস্যরা ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর এবং মেডিকেল অফিসার।
কসাই ও মালিকের বক্তব্য
তদন্তে কসাই দুলাল মিয়া জানান, গরুটি ক্রয়ের সময়ই পা ভাঙা ছিল এবং চিকিৎসায় সুস্থ করা সম্ভব না হওয়ায় মালিকের বাড়িতেই জবাই করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু সাংবাদিক তার কাছে আর্থিক দাবি করেন এবং পরবর্তীতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।
অন্যদিকে গরুর মালিক বাশার মীর জানান, গরুটি গোয়ালে পড়ে গিয়ে পা ভেঙে যায় এবং পশু চিকিৎসকের পরামর্শেই তিনি বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও জানান, গরুটির অন্য কোনো রোগ বা পচন ছিল না।
স্থানীয় পশু চিকিৎসকও তদন্তে জানান, গরুটির প্রধান সমস্যা ছিল পা ভাঙা, অন্য কোনো গুরুতর রোগের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ
কমিটির সরেজমিন পরিদর্শনে পাওয়া তথ্যে উল্লেখ করা হয়—
সাংবাদিকদের বিষয়ে অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদনে কসাই দুলাল মিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু সাংবাদিক তার দোকানে গিয়ে অসুস্থ গরু জবাইয়ের বিষয়ে অভিযোগ তোলে এবং আর্থিক দাবি করে—এমন অভিযোগ উল্লেখ করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হওয়ার কথাও প্রতিবেদনে উঠে আসে।