নিজস্ব প্রতিনিধি: মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা আমীরে জামায়াত ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘‘যারা বছরের পর বছর দেশের বাহিরে ছিল তারাই এখন আমাদেরকে গুপ্ত আর সুপ্ত বলছে”। তিনি বলেন, অথচ তাদেরকে দেশের মানুষ বিগত ১৭ বছর কোথাও দেখেনি। আমরা কারাগারে ছিলাম,গুম-খুনের শিকার হয়েছি। কারাগারে থাকলে যদি কেউ গুপ্ত হয় তবে আমরা গুপ্ত। কিন্তু আমি কিংবা আমার কর্মীরা দেশ ছেড়ে কেউ পালিয়ে যায়নি। ৫ আগস্ট বিপ্লব না হলে যাদেরকে এই জাতি জীবনেও চোখে দেখতো না তারা এখন আমাদেরকে গুপ্ত বলছে! অথচ আমরা শত জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের পাশেই ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। আমাদের নেতা শহীদ মীর কাসেম আলী আমেরিকা থেকে দেশে চলে এসেছেন। তিনি দেশে আসার আগে তার বন্ধু-শুভাকাঙ্খীরা অনুরোধ করেছেন আপনি দেশে আসিয়েন না। আসলে অন্য নেতাদের মতো আপনাকেও জেলে নেওয়া হতে পারে, ফাঁসি দিতে পারে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, আমি কোনো অপরাধ করিনি। তাই আমার দেমে যেতে ভয় নাই। আওয়ামী লীগ ঝের বা ফাঁসি দিলে দেখ তবুও আমি দেশে ফিরবো। তিনি দেশে এসেছেন এবং আওয়ামী লীগের সাজানো মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। বিচারের নামে অবিচারের শিকার হয়ে ফাঁসির মঞ্চে গিয়েছেন তবুও দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি কিংবা আধিপত্যবাদের সঙ্গে আপোষ করেনি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গ্রীন রোড সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে ঢাকা-১০ আসন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহনের পরপর সেই বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা হত্যাকাণ্ড পরিচালিত করে দেশপ্রেমিক ৫৭ জন সেনাকর্মকর্তাকে খুন করে। তার পরবর্তীতে বিচারের নামে অবিচার করে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ ১১ জন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। শাপলা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে হাজার-হাজার আলেমকে হত্যা করেছে। বিগত ১৫ বছরে তারা দেশের কোটি-কোটি মানুষের ওপর জুলুম করেছে। জুলুমের শিকার জাতি আশাহত হয়েছে আওয়ামী লীগ হয়তো ২০৪১ সালের আগে আর ক্ষমতা ছাড়বে না। কিন্তু আল্লাহ তার পরিকল্পনায় এদেশের ছাত্র-জনতার ৩৬ দিনের আন্দোলনের মুখে আল্লাহ তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছি। আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে আমাদের শত-শত কর্মীকে খুন-গুম করেছে। আয়না ঘরে বন্দী রেখে জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। তাদের জুলুমে পুরো বাংলাদেশ কারাগারে পরিণত হয়েছে। আমরা বলেছিলাম, আমাদের ওপর জুলুমের প্রতিশোধ আমরা কারো থেকে নেবো না। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি বিচার চাইলে আইন অনুযায়ী ন্যায় বিচার পেতে তাকে সহযোগিতা করা হবে। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। আমরা কোনো মামলাবাজি করিনি, কোন চাঁদাবাজি করেনি, কারো বাড়িঘর দখল দেই নাই। বরং আমরা আমাদের কর্মীদের বলেছি তোমরা স্বেচ্ছাসেবীর ভূমিকায় কাজ করো। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন থানায় তারা কাজ করতে নিারপদ বোধ করছেন না, আমরা বলেছি আপনারা থানায় কাজ করুন বাহিরে আমাদের কর্মীরা নিরাপত্তায় পাহারাদারের ভূমিকায় থাকবে। আমরা আমাদের সেই কথা রেখেছি। আমরা শহীদ পরিবারে গিয়েছি। আমরা শহীদ পরিবার গুলোর মধ্যে গিয়ে দেখেছি অনেকেই নিঃস্ব। আমরা তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছি। কিন্তু আমরা সেগুলো প্রচার করে শহীদ পরিবারদের অমর্যাদা করেনি। শহীদ পরিবারকে মর্যাদা দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না, আমি ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। আমি জামায়াতে ইসলামীর জন্য্য ভোট চাইতে আসিনি, আমি এসেছি মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সমস্যা জানতে এবং সমস্যা সমাধানে আমাদের করণীয় ঠিক করতে। আমরা চাই মানুষকে গোলামীর হাত থেকে মুক্ত করে মানবিক বাংলাদেশ বিনর্মাণ করতে। যারা ভোট চাওয়ার কারণে মায়েদের বুকে লাথি দিয়েছে, যারা মায়েদের কাপড় খুলে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে তারাই আমার ফ্যামিলী কার্ড দিয়ে মায়েদের জন্য দরদ দেখাচ্ছে! এদিকে মায়েদের হাতে ফ্যামিলী কার্ড দেওয়ার প্রলোভন দেখাচ্ছে অন্যদিকে মায়েদরে গায়ে হাত তোলা হচ্ছে, মায়েদের কোপানো হচ্ছে! আমীরে জামায়াত হুশিয়ারি করে বলেন, খবরদার সতর্ক হও, মায়েদের কাছে ক্ষমা চাও, আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাও। নতুবা মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষায় আমরা চুপ করে থাকবো না। চব্বিশের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের বোনদের গায়ে হাত তোলার পর জাতি আর চুপ করে বসে থাকতে পারেনি। আবারও যদি কেউ মা-বোনের গায়ে হাত তুলে তবে জাতি আবার ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করবে।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা হবে উল্লেখ করে আমীর জামায়াত বলেন, আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশ। পঁচা রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে এবং পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের প্রথম ভোট গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবো। তারপর সরকার গঠনের জন্য আরেকটি ভোট দিতে হবে। সেই ভোট হবে ন্যায়-ইনসাফের এক মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের ভোট। তিনি বলেন, এদেশের যুব সমাজ বেকার ভাতা চায়নি, তারা চেয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস। তারা ন্যায় বিচার চায়, তারা অধিকার চায়, তারা মানবিক বাংরাদেশ চায়। কিন্তু যারা তাদেরকে বেকার ভাতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তাদের যুব সমাজকে নিয়ে কোনো পরিকল্পনা নেই, কোনো কর্মসূচি নেই। জামায়াতে ইসলামীর যুব সমাজকে নিয়ে ব্যাপক ভিত্তিক কর্মসূচি আছে, পরিকল্পনা আছে। সেজন্য জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে যুব সমাজকে দক্ষ উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।
জামায়াত ক্ষমতায় গেল চামড়া শিল্পে বাংলাদেশ নজির স্থাপন করবে উল্লেখ করে আমীরে জামায়াত ডা. শপিকুর রহমান বলেন, হাজারীবাগের ট্যানারি শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আগামীতে জামায়াতে ইসলামী রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে এই শিল্পকে রক্ষায় ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ঢাকা-১০ আসনের বিদ্যমান সমস্যা গুলো সমাধান খুব কঠিন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবলমাত্র সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হলে ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার সকল সমস্যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমাধান সম্ভব। তাই আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে তিনি ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ঢাকা-১০ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট মো. জসীম উদ্দীন সরকার বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ঈমানের দাবি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা হচ্ছে দেশপ্রেমের দাবি। আমাদের জুলাই যোদ্ধারা সেই দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী আজ পর্যন্ত প্রত্যেক শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের রক্তের দায় শোধ করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে। জসীম উদ্দীন সরকার ঢাকা-১০ সংসদীয় এলাকার বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির সংকট এবং জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন সমস্যার চিত্র তুলে ধরে বলেন, তিনি নির্বাচিত হলে জনগণের দূর্ভোগ লাঘবে বিদ্যমান সকল সমস্যা অগ্রধিকার ভিত্তিতে সমাধান করবেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র দুর্নীতিবাজ নেতৃত্বের কারণে ঢাকা-১০ আসনের বিদ্যমান সমস্যাগুলো অতীতের নেতারা সমাধান করতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করলে দুর্নীতিমুক্ত জনপ্রতিনিধি ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন পাবে দেশের জনগণ।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, সমাজে দুই ধরনের নেতা দেখা যায়। একধরনের নেতা বলে তারা এটা করবে, ওটা করবে। কিন্তু তাদের কথা আর কাজের কোনো মিল পাওয়া যায় না। আরেক ধরনের নেতা আছে যারা কাজ করে এবং আরও কাজ করতে চায়। স্বাধীনতার বিগত ৫৪ বছর আমরা যাদেরকে আমাদের নেতা বানিয়েছি, যাদেরকে এমপি-মন্ত্রী বানিয়েছি তারা আমাদেরকে প্রতারিত করেছে। এবারের নির্বাচনে আর ভুল করা যাবে না। অতীতে যারা আমাদেরকে ধোঁকা দিয়েছে তারা এখন আবার নতুন করে ধোঁকা দেওয়ার জন্য কার্ড নিয়ে রাস্তায় নেমেছে। কার্ডের নামে জনগণকে আবারও ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি দেশবাসীকে ধোঁকায় না পড়ে নিজের বিবেক কাজে লাগিয়ে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইনসাফের দল জামায়াতে ইসলামীর আমীরের অতীত কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করে দেখুন। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান বন্যা, ভূমিকম্প এবং করোনাকালীন দুর্যোগ সহ যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের প্রয়োজনে সবার আগে, সবখানে ছুঁটে গিয়েছেন এবং যান। ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে আগামীতে বাংলাদেশ পরিচালিত হলে বাংলাদেশ আর কখনো পথ হারাবে না।
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একসময় আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে শেখ হাসিনাকে দেশে আসার সুযোগ দিয়েছেন। কিন্তু শেখ হাসিনা দেশের আসার ১৩ দিনের মধ্যে জিয়াউর রহমানকেই শহীদ করে দিয়েছে। এখন আবার লন্ডন থেকে এক নতুন মুফতি এসেছে। যিনি দেশে আসার আগে ভারতের সঙ্গে গোপন আতাঁত করে এসেছেন। তিনি এদেশকে ভারতের করদ রাজ্য বানাতে চায়। এদেশের মানুষ আর কাউকে বাংলাদেশে আধিপত্যবাদ বিস্তার করতে দেবে না, ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেবে না। রাশেদ প্রধান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে নতুন জালেমকে লাল কার্ড দেখিয়ে দিতে ঢাকা-১০ আসনের জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির পরিচালক অধ্যাপক নুর নবী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেব আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. খলিলুর রহমান মাদানী, জুলাই শহীদ রমিজ উদ্দীনের পিতা একেএম রকিব উদ্দীন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এবং মহানগরী দক্ষিণের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুস সবুর ফকির, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমীর এডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমীর মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী।
মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও নিউমার্কেট থানা আমীর মাওলানা মহিব্বুল্লাহ ফরিদের পরিচালনায় জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগরী পূর্ব সভাপতি ও ডাকসু পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১০ আসন কমিটির সহকারী পরিচালক শেখ শরীফ উদ্দিন আহমেদ, ধানমন্ডি জোন টিম সদস্য এডভোকেট জসীম উদ্দীন তালুকদার, কামরাঙ্গীরচর পশ্চিম থানা আমীর মুজিবুর রহমান খান, এনসিপির ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ধানমন্ডি-হাজারীবাগ জোন পরিচালক মিজানুর রহমান, হাজারীবাগ দক্ষিণ থানা আমীর আখতারুল আলম সোহেল, হাজারীবাগ উত্তর থানা আমীর মাহফুজ আলম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ,কলাবাগান পশ্চিম থানার আমীর (ভারপ্রাপ্ত) মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা কলেজ শাখার সেক্রেটারি সাইমুন ইসলাম সানি প্রমুখ। এছাড়াও কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দসহ ঢাকা-১০ আসনের সকল থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।