• ঢাকা |

মৌলভীবাজারে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল সহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বাউরবাগ সাকিনে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান ও কার্তুজ ডাকাতির ঘটনায় ৩ ডাকাত গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। এই নিয়ে ডাকাতির ঘটনায় ব্যবহৃত দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র পাইপগান  ও ২১ রাউন্ড গুলি ও ১ টি গুলির খোসা  উদ্ধার করা হয়েছে। 
গত ১৩ এপ্রিল দিবাগত রাত অনুমান ১০ ঘটিকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে মৌলভীবাজার থানার বাউরবাগ  অস্ত্র গোলাবারুদসহ স্থানীয় জনতার সহায়তায় শামসুর রহমান আতিক প্রকাশিত আশিক ১ টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২১ রাউন্ড গোলাবারুদসহ আটক করা হয়। এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে পুলিশ তারই সূত্র ধরে ১৬ সিলেটের সিলাম সহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত রুবেল ডাকাত ও আশরাফ ডাকাতকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানার বিশেষ টিম। তাদের দেওয়া তথ্য মতে ১৬ এপ্রিল ভোরবেলা  কামালপুর মথাখাই পশ্চিম বাড়ন্তি  হাওরের কলারবাগ হতে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। ডাকাত রুবেলের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার নবীগঞ্জ সহ বিভিন্ন থানায় ১১ টি মামলা রযেছে।
 সদর মডেল থানার বাউরবাগ ১৩ এপ্রিল দিবাগত রাত অনুমান ১০ টায় ডাকাত রাজনগরের সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক(৩০), নবীগঞ্জের রুবেল মিয়া (৪০), সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুরের আশরাফ হোসেন আশরাফুল @ আশাই (২৯), সহ ৬/৭ জনের ডাকাতদল ডাকাতির উদ্দেশ্যে এক কবরস্থানে আগ্নেয়াস্ত্র গোলাবারুদ সহ অবস্থান নিয়ে ডাকাতির করার প্রস্ততি নিচ্ছিল । স্থানীয় জনতা তাদের দেখে ধাওয়া করলে তখন ১ রাউন্ড গুলি ছড়ে ডাকাত দল। এতে গুলি লেগে ডাকাত দলের সদস্য  শামসুর রহমান আতিক  আহত হয়ে পড়ে  এবং বাকিরা পালিয়ে যায়। ডাকাত শামসুর রহমান আতিককে আটক করলে তার নিকট ১ টি আগ্নেয়াস্ত্র  ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলাবারুদ পাওয়া যায়। পলাতক ডাকাত ও তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে  মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ টিম তদন্ত শুরু করে সিলেটের সিলাম সহ হবিগঞ্জ জেলার  বিভিন্ন থানায় অভিযান পরিচালনা করে কুখ্যাত রুবেল ও আশরাফ ডাকাতকে গ্রেফতার করে । 
মৌলভীবাজার জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন এর নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়ের এর নেতৃত্বে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, এসআই হীরণ কুমার বিশ্বাস, এসআই উৎপল কুমার সাহা, এসআই জয়ন্ত সরকার, এএসআই রানা মিয়া, এএসআই সাইদুর রহমান এবং কনস্টেবল পিন্টু চন্দ্র শীলসহ একটি বিশেষ টিম গঠন করে  উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন।