• ঢাকা |

গণভোটের রায়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে কুড়িগ্রামে খেলাফত মজলিসের গণসমাবেশ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

কওমি সনদের পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ ও জ্বালানির দাম কমানোর দাবি

কুড়িগ্রাম, ৩১ অক্টোবর: গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, কওমি মাদ্রাসার সনদের পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি ও সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগসহ বিভিন্ন দাবিতে কুড়িগ্রামে বিশাল গণসমাবেশ করেছে খেলাফত মজলিস।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টায় কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা চত্বরের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে খেলাফত মজলিসের কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। এতে সভাপতিত্ব করেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাজু।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মাস্টার মো. সিরাজুল ইসলাম, শ্রমিক মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রভাষক আব্দুল করীম, ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ, রংপুর বিভাগের সহকারী জোন পরিচালক মো. সবেবর রহমান ও অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম আযম।

এ ছাড়া রংপুর মহানগর খেলাফত মজলিসের সভাপতি উপাধ্যক্ষ মো. তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, রংপুর জেলা সভাপতি মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, আহমদ আলী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি মুকুল মিয়া, গাইবান্ধা জেলা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল হামীদ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, কুড়িগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী মাওলানা নুরুজ্জামান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আব্দুর রহমান পারভেজ উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার। একই সঙ্গে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানো এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

দেশের বেকারত্ব দূর করতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ, অপরাধ দমন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার আহ্বানও জানানো হয়।

শিক্ষা খাতের সংস্কার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সমাবেশে গুরুত্ব পায়। এ ক্ষেত্রে কওমি মাদ্রাসাগুলোকে আর্থিক সহায়তা প্রদান, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং কওমি মাদ্রাসার সনদের পূর্ণাঙ্গ সরকারি স্বীকৃতির দাবি তোলেন আয়োজকেরা।

বিশেষ করে কওমি সনদধারীদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সমাবেশে উত্থাপিত দাবিগুলোতে রাষ্ট্রীয় সংস্কার, অর্থনৈতিক স্বস্তি, কর্মসংস্থান, আইনের শাসন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়।