• ঢাকা |

বিদ্যমান সার নীতিমালা বহালের দাবিতে গাইবান্ধায় সংবাদ সম্মেলন


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

‎‎আসাদুজ্জামান রুবেল, গাইবান্ধা: বিদ্যমান সার নীতিমালা বহাল রাখার দাবিতে সোমবার দুপুর ১২টায় গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ)গাইবান্ধা জেলা ইউনিট।
‎সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের কৃষি উৎপাদন নির্ভর করে সারের উপর।বিদ্যমান সার নীতিমালা ২০০৯ কৃষকবান্ধব ও বাস্তবসম্মত হওয়ায় তা বহাল রাখা জরুরি।এ নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হলে কৃষি খাত সংকটে পড়বে এবং কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হবে।
‎‎বক্তারা পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো‎: 
১. বিদ্যমান সার ডিলারদের ডিলারশিপ বহাল রাখা, এমনকি একই পরিবারের একাধিক সদস্য আইনগত দলিলপত্র প্রদর্শন করতে পারলে তাদের ডিলারশিপের সুযোগ বজায় রাখা।‎ 
২. প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জনের পরিবর্তে ২ জন ডিলার রাখার ব্যবস্থা করা, যাতে ব্যবসা টিকে থাকে।‎ 
৩. ডিলাররা মনোনীত প্রতিনিধির মাধ্যমে নিয়মিত টাকা জমা ও সার উত্তোলন করলে সেই প্রতিনিধির মাধ্যমেই ডিলারশিপ পরিচালনার বিধান রাখা।‎
৪. পরিবহন খরচ ও বিক্রয় কমিশন বৃদ্ধি করা। কারণ জ্বালানি, ব্যাংক সুদ, গুদাম ভাড়া, লোড-আনলোডসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বৃদ্ধি পেলেও কমিশন সমন্বয় হয়নি।‎
৫. ভর্তুকি মূল্যে কৃষক পর্যায়ে বিক্রিত সারের ওপর আগাম কর আরোপ না করা, অন্যথায় সারের বাজার অস্থিতিশীল হবে এবং কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।‎
বক্তারা বলেন, বিদ্যমান নীতিমালা বহাল থাকলে কৃষকরা সময়মতো ও সঠিক দামে সার পাবেন, যা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে সার ব্যবসায়ীরাও ন্যায্য উপায়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবেন।‎সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশন (বিএফএ) গাইবান্ধা জেলা ইউনিটের সভাপতি সুদের কুমার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহবুব আলম রিপনসহ সার ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।