• ঢাকা |

ডিমলায় তুহিনকে নীলফামারী-১ আসনে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে, সাবেক সংসদ সদস্য ও ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে দলীয় সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে নীলফামারী-১ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে কয়েকদিনের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে ডিমলা।
আসনটিতে বিএনপির জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার করে তুহিনকে মনোনয়ন দেয়ার দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ,সড়ক অবরোধ,মশাল মিছিল,সড়কে আগুনের কুন্ডলী জ্বালিয়ে স্লোগান,সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসুচি পালন করে আসছেন।লাগাতার এসব কর্মসুচির অংশ হিসেবে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের  হয়ে সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্মৃতি অম্লান চত্ত্বরে এসে সেখানে আগুন জ্বালিয়ে ঘন্টাব্যাপি সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব রইসূল আলম চৌধুরী, সদস্য অধ্যাপিকা সেতরা সুলতানা, অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন,গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আমিনুর রহমান গাজী, আরিফ উল ইসলাম লিটন, সাবেক সাধারন সম্পাদক বদিউজ্জামান রানা, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক নুর আলম,সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি ডিআর জাহাঙ্গীর আলম, সাধারন সম্পাদক আব্দুল মজিদ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব আশিক উল ইসলাম লেমন,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তবিবুল ইসলাম তইবুল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মিজানুর রহমান সবুজ, সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন, সদর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক সোহাগ খান লোহানী,উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হালিমুল হোসেন রাসেলসহ অনেকেই। তারা দলিয় সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে বিএনপি থেকে নীলফামারী-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেয়া না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন। আসনটিতে তুহিনের পক্ষে রবিবার (২৮ ডিসেম্বর)ডিমলায় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
প্রসঙ্গত: নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনপির জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর মহাসচিব মওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দির'র নাম ঘোষণা করা হয়। এর পর থেকেই এই আসনের বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।