ভোলা প্রতিনিধি: ভোলার দৌলতখান উপজেলায় জমিজমা বিরোধের জেরে বসতঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শনিবার (০৪ এপ্রিল) বিকেল ৫ঃ০০ ঘটিকায় মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম এর ভোলা কার্যালয়ে ভুক্তভোগী মো মোস্তফা, পিতা আজহার ফরাজি বলেন, উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম জয়নগর মৌজায় এস এ ১১০ খতিয়ানে মোট ১০৪.৫০ জমিতে আমার দাদী আমেনা খাতুন, স্বামী আলী মিয়া রেকডীয় মালিক ছিলেন। আমি এবং আমার ভাই-ভাতিজা মিলে ওয়ারিশ সূত্রে মালিক থাকিয়া ২০০৮ থেকে উক্ত জমিতে ভিটে বাড়ি তৈরি করে বসবাস করতেছি। মো মোস্তফা বলেন, আমার ছোট ভাই আবুল কালাম স্ত্রী ছেলে মেয়ে সহ এবং আমার চাচাতো ভাই শাহে আলম স্ত্রী ছেলে-মেয়ে নিয়ে সহপরিবারে উক্ত জমিতে বসবাস করতেছিলো। উক্ত ঠিকানায় আমার ভাই ভাতিজাদের নামে জন্ম নিবন্ধন এবং এন আই ডি কার্ড রয়েছে। উক্ত খতিয়ানে আমাদের নামে ৫২ শতাংশ জমির নামজারি ও খাজনা রশিদ রয়েছে।
কিন্ত গত ২৮ মার্চ (শনিবার) সকাল ১০ টায় প্রতিপক্ষ আমাদেরকে উক্ত জমি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য লাঠিসোটা সহ দলবদ্ধ আক্রমন করে, আমাদের উপর হামলে পরে। নারী ও শিশুদেরকে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে এবং আমাদের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে তছনছ করে আমাদেরকে সমূলে উচ্ছেদ করে দেয়। এ ঘটনায় আমাদের পরিবারের কয়েকজন চিকিৎসা নিতে হয়েছে হাসপাতালে। আমরা এখন বাড়ি ঘর হারিয়ে অসহায় জীবনযাপন করছি। মো মোস্তফা এবং তার চাচাতো ভাই শাহে আলম এমন সব অভিযোগ করেন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
পক্ষান্তরে উক্ত খতিয়ান ও দাগে ৫২ শতাংশ জমি আলমগীর বয়াতি ও বশির বয়াতি গংদের পূর্বপুরুষ মুজিবল হক পিতা পাঞ্জত আলী ২২ নভেম্বর ১৯৪৮ সালের তদানীন্তন রাধাবল্লব সাব রেজিস্ট্রি অফিসের আওতায় ৬১০৫ নং দলিল মূলে রেকর্ডীয় মালিক আমেনা খাতুন স্বামী আলি মিয়া থেকে ক্রয় সূত্রে মালিকানা স্বত্ব দাবিদার। এমতাবস্থায় উত্ত জমিতে কারো পক্ষেই ভিটে বাড়ি তৈরি করে বসত করার অধিকার নেই বলে পারিবারিক সূত্র দাবি করে।