স্পোর্টস ডেস্ক: বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে দাপুটে পারফরম্যান্সে ২–০ গোলে এগিয়ে রয়েছে স্পেন। প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারসাবালের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে পেদ্রো পোরোর দুর্দান্ত একক নৈপুণ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করে লা রোহা।
ম্যাচের ২০তম মিনিটে লুকাস দিনিয়ে বক্সের ভেতরে লামিনে ইয়ামালকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট-কিক থেকে কোনো ভুল না করে দলকে এগিয়ে দেন ওইয়ারসাবাল। প্রথমার্ধে স্পেন বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বজায় রাখলেও ফ্রান্স নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি।
ফ্রান্সের জন্য প্রথমার্ধে আরও দুঃসংবাদ হয়ে আসে উইলিয়াম সালিবার চোট। দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এই ডিফেন্ডার ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। পাশাপাশি একাধিক রেফারিং সিদ্ধান্ত ও ভিএআরের হস্তক্ষেপে ফরাসি খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষও স্পষ্ট ছিল।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পরিবর্তন আনে ফ্রান্স। হলুদ কার্ড পাওয়া আদ্রিয়াঁ রাবিওর জায়গায় নামেন মানু কোনে। পরে ব্র্যাডলি বারকোলার পরিবর্তে মাঠে নামানো হয় দেজিরে দুয়েকে।
তবে পরিবর্তনের পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতেই। ৫৮তম মিনিটে দানি ওলমোর সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে বক্সে ঢুকে অসাধারণ ফিনিশে গোল করেন পেদ্রো পোরো। গোলকিপার মাইক মাইনিয়ঁকে পরাস্ত করে স্পেনের ব্যবধান ২–০ করেন তিনি।
এরপর লামিনে ইয়ামাল বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে ৬৪তম মিনিটে সেই গোলটি বাতিল হয়। ফলে ২–০ ব্যবধানই অক্ষুণ্ন থাকে।
ম্যাচের বাকি সময়ে ফ্রান্সের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে ম্যাচে ফেরার। অন্যদিকে স্পেন এই ব্যবধান ধরে রাখতে পারলে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।