• ঢাকা |

ক্যাম্পাসে মন্দির নির্মাণের দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিলেন জকসু ভিপি প্রার্থী চন্দন


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ২০ নভেম্বর, ২০২৫ ইং
ছবির ক্যাপশন:

জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় দুই হাজারের বেশি সনাতনী শিক্ষার্থীর ধর্মীয় উপাসনার উপযোগী স্থানের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন জকসু নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী চন্দন কুমার দাস।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে তিনি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেখানে নানা মত ও ধর্মের শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে পড়াশোনা করে। তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সনাতনী শিক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও উপাসনার জন্য আলাদা কোনো মন্দির নেই, যা সংবিধানে প্রদত্ত ধর্মীয় স্বাধীনতা চর্চার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা।

আরও বলা হয়, ধর্মীয় আচার বা উৎসব পালনের জন্য শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসের বাইরে যেতে হয়—যা সময়, অর্থ এবং নিরাপত্তার দিক থেকে অনেকের জন্যই ঝক্কির। ক্যাম্পাসে একটি মন্দির থাকলে তা শুধু ধর্মীয় চর্চার সুযোগই দেবে না; বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বৈচিত্র্যের চেতনা আরও শক্তিশালী করবে। এই দাবি নতুন নয়—বছরের পর বছর ধরে সনাতনী শিক্ষার্থীরা একই দাবি জানিয়ে আসছেন।

স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর চন্দন কুমার দাস বলেন, “মন্দির নির্মিত হলে সনাতনী শিক্ষার্থীরা সহজে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড পালন করতে পারবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অসাম্প্রদায়িক ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে। মাননীয় উপাচার্য স্যার আমাদের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।”

এর আগে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর ছাত্র ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক চন্দন ভিপি পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তিনি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। মনোনয়ন সংগ্রহের সময় তিনি বলেন, “আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করছি কারণ বিভিন্ন প্যানেলে সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের শীর্ষ পদগুলোতে জায়গা দেওয়ার ক্ষেত্রে অবহেলা করা হয়েছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদের নিচের পদে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। আমি আমার মাইনরিটি পরিচয়ের মর্যাদা বজায় রাখতে এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকবো।”