• ঢাকা |

লন্ডনে খেলাফত মজলিস ইউকে সাউথের বৈঠক


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও সীমান্ত হত্যার তীব্র নিন্দা

লন্ডন, ১৪ মে ২০২৬: ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর হামলা ও বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ব্রিটেনের কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব সদরুজ্জামান খান।

তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে এবং উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো মুসলমানদের লক্ষ্য করে সহিংসতা চালাচ্ছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের “বাংলাদেশি” আখ্যা দিয়ে হয়রানি ও নির্যাতনের ঘটনা উদ্বেগজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) রাত ৮টায় খেলাফত মজলিস ইউকে সাউথ শাখা আয়োজিত মাসিক নির্বাহী বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সদরুজ্জামান খান বলেন, গত ৮ মে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত হত্যা পুনরায় শুরু করে ভারত বাংলাদেশকে মনস্তাত্ত্বিক চাপের মধ্যে রাখতে চাইছে।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় পুশইন, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে, যা একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থী।

ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “দাদাগিরি ও আধিপত্যবাদী নীতি পরিহার করে সীমান্ত হত্যা অবিলম্বে শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে হবে। পাশাপাশি অতীতে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।”

তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতেই কেবল টেকসই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে। একই সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

শাখা সভাপতি মাওলানা সাদিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম মামরোখানীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকটি হাফেজ কামরুল হাসান খাঁনের দারসে কুরআনের মাধ্যমে শুরু হয়।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন হাফেজ এ কে এম আব্দুল কাদির, হাফেজ মাওলানা এনামুল হক, আব্দুল করিম উবায়েদ, মাওলানা আতাউর রহমান জাকির, মাওলানা সাহিদুর রহমান মাহমুদাবাদী, হাফেজ শায়েখ মোস্তাক আহমাদ, মাওলানা আব্দুল আহাদ, কাজী শায়েখ আব্দুর রহমান, মাওলানা সালেহ আহমাদ ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আব্দুল গফুর, মাওলানা নুমান উদ্দীন, মাওলানা নুরুল আমিন মুন্না, মাওলানা আশরাফুল মাওলা, মাওলানা নুফাইস আহমাদ বরকতপুরী এবং মাওলানা জাবির আহমাদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।