এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “শিশু রামিসার ওপর সংঘটিত নির্মম ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড পুরো জাতিকে মর্মাহত করেছে। আদালতের এ রায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তবে বিচার সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি দ্রুত রায় কার্যকর করাও জরুরি, যাতে অপরাধীরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ সংঘটনের সাহস কেউ না পায়।”
তিনি বলেন, শিশু ও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; এর পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণও প্রয়োজন। তার মতে, এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছাবে এবং অপরাধপ্রবণতা কমাতে সহায়ক হবে।
কর্নেল আব্দুল বাতেন (অব.) নিহত শিশু রামিসার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের জন্য ধৈর্য ও মানসিক শক্তি কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের সব শিশু ও নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে আদালতের প্রদত্ত রায় দ্রুত কার্যকর হওয়া সময়ের দাবি। জনগণও এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে।”
উল্লেখ্য, শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আদালতের এই রায়কে ভুক্তভোগী পরিবারের দীর্ঘ বিচারপ্রত্যাশার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলাটির রায় দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের দাবিকে আরও জোরালো করেছে।