মোঃ মোরছালিন, জয়পুরহাট: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকরের দাবিতে জয়পুরহাটে গণমিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য জোট। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শনিবার বিকেলে জয়পুরহাট শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে মিছিল-পূর্ব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির ও জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান সাঈদ।
সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মণ্ডল, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ ও এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, এবি পার্টির জেলা সেক্রেটারি বেলাল হোসেন, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার গোলাম কবির, পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসলাম হোসেন, জামায়াত নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বাতেন, শহর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা সাইদুর রহমান, পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সুজাউল করিম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইমরান হোসেন, আক্কেলপুর উপজেলা জামায়াতের আমির শফিউল হাসান, শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহিম, সদর উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা শাহ আলম দেওয়ান, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা জয়নাল আবেদীন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের জেলা সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন, এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হাদী, এনসিপির নেতা বোরহান উদ্দিনসহ ১১ দলীয় জোটের নেতারা।
সভাপতির বক্তব্যে ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন, ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের একটি অংশ চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এসব কার্যক্রম বন্ধ করে জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে সরকারকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জনগণের দাবি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা হলে সারাদেশে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গণতান্ত্রিক উপায়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন।
সমাবেশ শেষে একটি গণমিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।