জবি প্রতিনিধি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের একাধিক ঘটনা ঘটলেও নির্বাচন কমিশন কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এমন অভিযোগ করেছে মাওলানা ভাসানী বিগ্রেড প্যানেল।
আজ ১ ডিসেম্বর ( সোমবার) রফিক ভবনের সামনে জকসু নির্বাচনের উদ্ভূত পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জরুবী সংবাদ সম্মেলনে এমনটি মন্তব্য করেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টসহ ৯টি ছাত্রসংগঠনে সমন্বয়ে মাওলানা ভাসানী বিগ্রেড প্যানেলের প্রার্থীরা।
এসময় তারা বলেন,"জকসু নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই নানান প্রার্থী ও শিক্ষক আচরণবিধির নিয়ম ভঙ্গ করছে, কিন্তু নির্বাচন কমিশন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
কনসার্টে অনুদান ঘোষণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ:
গত ২৩ নভেম্বর"জীবনের জন্য গান” শীর্ষক কনসার্টে নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশনার লঙ্ঘন হয়েছে। ২০ নভেম্বর জারি করা নোটিশে বলা হয়েছিল—
মঞ্চে কোনো প্রার্থী উঠতে পারবেন না প্রার্থী বা সংগঠন কোনো সামাজিক বা কল্যাণমূলক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।
কিন্তু নির্দেশনা উপেক্ষা করে—
ঐক্যবদ্ধ নির্ভিক জবিয়ান প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী খাদিজাতুল কুবরা মঞ্চে উঠে ৫০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।
একই প্যানেলের সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক প্রার্থী তাকরিম আহমেদ ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা অনুদান ঘোষণায় অংশ নেন।
প্যানেলের অভিযোগ—এটি শুধু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞাই নয়, আচরণবিধিরও গুরুতর লঙ্ঘন।
আচরণবিধির ধারাগুলো স্পষ্ট লঙ্ঘিত।
জকসু আচরণবিধির ১৭(ক) ধারায় বলা আছে—
একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ১৫,০০০ টাকা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যয় করতে পারবেন।
আর ১৭(খ) ধারায় উল্লেখ আছে—
এই সীমার অতিরিক্ত আর্থিক লেনদেন প্রমাণিত হলে ওই প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
এছাড়াও কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজিক ও কল্যাণমূলক সকল কার্যক্রমও নিষিদ্ধ।