• ঢাকা |

তিস্তার বুকে রবি শস্যের চাষ, ভাগ্য বদলাচ্ছে চরাঞ্চলবাসীর


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

মোস্তাফিজার বাবলু, রংপুর অফিস: রংপুর অঞ্চলের বুক জুড়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদী এখন পানি শুণ্য। নদীতে পাল তোলা নৌকা নেই, জেলেদের নেই মাছ শিকার। দু'চোখ যে দিকে যায় নজরে আসে না কোথাও ধূ-ধূ বালু চর। অনুকুল আবহাওয়া, উন্নত বীজ এবং কৃষি প্রণোদনার ফলে, মরা তিস্তার বুকে এখন ফলে মিষ্টি কুমড়া, লাউ,বাদাম,ভুট্টা, তিল,তিসি,গম,কাউন, কলাই,সরিষা, রসুন,ধান, পেঁয়াজ, মরিচ সহ বিভিন্ন সবজি।
রবি শস্যের ক্ষেত জুড়ে সেখানকার কৃষক - কিষাণীরা স্বপ্ন বুনছে। বুনন করা স্বপ্ন বাস্তবে রুপ নিয়ে কৃষক - কিষাণীরা ভাগ্য বদলাচ্ছেন।
রোববার দুপুরে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্নেয়া ইউনিয়নের তিস্তার চরে সরেজমিনে কথা হয় স্থানীয় শরিফুল ইসলাম(৫২), ফতেহ আলী(৩৬),জুলফিকার(৪৮) ও আরজিনা বেগম(৪২) এর সাথে।

এসময় তারা এ প্রতিবেদককে জানান, তিস্তা নদীতে ভেসে ওঠা চরে এখন আমরা চাষাবাদ করি। পানি না থাকায় ঘোড়ার গাড়ি যোগে উৎপাদনকৃত ফসল পরিবহন করি। কিন্তু আমাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য থেকে  আমরা বঞ্চিত।
এসময় তারা আরও জানান, চরাঞ্চলের হাজার হাজার হেক্টর বালুমাটি ব্যবহার করে  কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন  হওয়ায়  আর্থিক স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছি। তবে, সরাসরি যদি আমাদের উৎপাদিত পণ্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রপ্তানি করা যেতো।  তাহলে আমরা লাভবান হতাম। নদীবক্ষে বালুচরগুলোতে শীতকালীন ফসলের এই বাম্পার ফলন স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এখন  দেশের খাদ্য উৎপাদনে বড় ভূমিকা রাখছে।