• ঢাকা |

বান্দরবান জেলা পরিষদের উদ্যোগে ২৭৭৯ মেধাবী শিক্ষার্থী পাচ্ছে শিক্ষাবৃত্তি, প্রথম ধাপে ২৩০ জনকে প্রদান


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৫ মে, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

বান্দরবান সংবাদদাতা: বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা খাতের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জেলার ২,৭৭৯ জন মেধাবী, গরীব ও অস্বচ্ছল ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার পরিষদের অডিটোরিয়ামে প্রথম ধাপে ২৩০ জন শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই। সভাপতিত্ব করেন পরিষদের সিইও মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. রিয়াজুল হক।

এছাড়া পরিষদের সদস্যবৃন্দ, এক্সিকিউটিভ অফিসার মুহাঃ আবুল মনসুর, এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার পরাক্রম চাকমা, সাংবাদিকবৃন্দ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্চ মাধ্যমিক/সমমান, স্নাতক সম্মান/স্নাতক/সমমান ও স্নাতকোত্তর/সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত বান্দরবানের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের আবেদন যাচাই-বাছাই করে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান কমিটির সুপারিশের আলোকে চূড়ান্ত তালিকা করা হয়।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই স্যার, সিইও নজরুল ইসলাম স্যার যখন ২৩০ জন শিক্ষার্থীর হাতে চেক তুলে দিলেন, তখন ওই ছেলেমেয়েগুলোর চোখে আমি আমার ছোটবেলা দেখেছি। টাকার অভাবে বই কিনতে না পারা, ফরম ফিলাপের শেষ তারিখে দৌড়ানো, টিউশন করে নিজের খরচ চালানো—এই গল্পগুলো তো পাহাড়ের ঘরে ঘরে।

ড. রিয়াজুল হক স্যার যখন মঞ্চে ছিলেন, তখন মনে হচ্ছিল শিক্ষকরাই আসল অভিভাবক। আর জেলা পরিষদ সেই অভিভাবকের হাত শক্ত করছে। ‘উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের টাকা যদি একটা ব্রিজ, একটা রাস্তার পাশাপাশি একটা মেধাবী মাথায় বিনিয়োগ হয়—এর চেয়ে ভালো উন্নয়ন আর কী হতে পারে?

তবে, একটা কথা। ২৩০ জন পেল, বাকি ২৫৪৯ জন অপেক্ষায়। তাদের যেন বেশিদিন অপেক্ষা করতে না হয়। কারণ সেমিস্টার ফি, মেস ভাড়া, বই—এগুলো তো তারিখ মানে না।