• ঢাকা |

দক্ষিণ এশিয়ায় মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির আহ্বান


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৪ জুন, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি (বাজাপা) দক্ষিণ এশিয়ার সাম্প্রতিক সামাজিক, মানবিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক এবং ডিজিটাল গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন, বিশ্লেষণ ও মতামতের আলোকে দলটি এ অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, মর্যাদা, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকার সম্পর্কিত বিষয়সমূহে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, আইনের শাসন, মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমঅধিকার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ একটি গণতান্ত্রিক ও বহুত্ববাদী সমাজের মৌলিক ভিত্তি। ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, জাতিগত পরিচয় কিংবা সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বৈষম্য, বিদ্বেষ বা সহিংসতা সামাজিক সম্প্রীতি ও দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর।
দলটি মনে করে যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অভিবাসন, নাগরিকত্ব এবং মানবিক বিষয়াবলি সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রসমূহের প্রচলিত আইন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড এবং প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক রীতিনীতির আলোকে পরিচালিত হওয়া উচিত। এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, পারস্পরিক আস্থা ও গঠনমূলক সংলাপ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির সভাপতি ড. এস. জেড. এম. সালেহউদ্দিন বলেন:
“মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং আইনের সমান সুরক্ষা প্রতিটি মানুষের মৌলিক ও সার্বজনীন অধিকার। আমরা দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের সকল অঞ্চলে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা পরিচয় নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করার পক্ষে অবস্থান গ্রহণ করি।”
দলের সাধারণ সম্পাদক জনাব অনক আলী হোসেন সাহেদী বলেন:
“দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা, গঠনমূলক সংলাপ এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবিক মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকার অপরিহার্য। সকল পক্ষের উচিত উত্তেজনা পরিহার করে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবাধিকারের সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা।”
বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টি দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্রসমূহ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ-সংশ্লিষ্ট সংস্থা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান, কূটনৈতিক মহল এবং শান্তিপ্রিয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানায় যে, তারা মানবাধিকার, ধর্মীয় সহনশীলতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।
একই সঙ্গে দলটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সমতা, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করছে।