• ঢাকা |

গুইমারা রিজিয়নের উদ্যোগে ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ৩ নভেম্বর, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করতে সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাহাড়ি ও দুর্গম অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে নিতে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গুইমারা রিজিয়ন। এর অংশ হিসেবে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) বাংলাদেশ ত্রিপুরা ছাত্র ঐক্য পরিষদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গুইমারা রিজিয়নের পক্ষ থেকে এসব বই বিতরণ করা হয়।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, পাহাড়ি অঞ্চলের অনেক শিক্ষার্থী আর্থিক অসচ্ছলতা, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থা এবং শিক্ষা উপকরণের অভাবে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়। বিশেষ করে মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে পাঠ্যবইসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা অনেক পরিবারের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

 

এমন বাস্তবতায় গুইমারা রিজিয়নের এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

 

বাংলাদেশ ত্রিপুরা ছাত্র ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে এ সহায়তার জন্য গুইমারা রিজিয়নের সম্মানিত রিজিয়ন কমান্ডারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

 

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করা এবং তাদের স্বপ্নপূরণে এ ধরনের শিক্ষাবান্ধব উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এই সহায়তা ত্রিপুরা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে।

 

শিক্ষার্থীদের কল্যাণে গুইমারা রিজিয়নের এ উদ্যোগ শুধু শিক্ষা উপকরণ বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং পাহাড়ের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং তাদের আগামী দিনের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত।

 

শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের প্রত্যন্ত ও দুর্গম অঞ্চলে শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, স্থানীয় প্রশাসন, সামাজিক সংগঠন ও বিত্তবান ব্যক্তিদের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। এ ধরনের মানবিক সহায়তা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আরও বেশি শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।