• ঢাকা |

নির্বাচনের দিন সারাদেশে বন্ধ থাকবে ৫ ধরনের যানবাহন


নিউজ প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ইং
ছবির ক্যাপশন:

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারা দেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসি জানিয়েছে, বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ভোট গ্রহণের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে পাঁচ ধরনের যানবাহনের চলাচল বন্ধ থাকবে। নিষিদ্ধ যানবাহনগুলো হলো—মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক।
তবে ভোটাররা ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) ব্যবহার করতে পারবেন। নির্বাচনের দিন মেট্রোরেলও স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে জানিয়েছে ইসি।
এদিকে, ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। তবে ইসির স্টিকারযুক্ত মোটরসাইকেল এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম ও জরুরি প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন। একই সঙ্গে জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন এবং প্রয়োজনীয় স্থানীয় চলাচলেও শিথিলতা থাকবে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী ও তাদের এজেন্টদের জন্যও আলাদা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট যান—জিপ, কার বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করতে পারবেন।
এছাড়া সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। টেলিযোগাযোগ সেবা স্বাভাবিক রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে।