কিশোর শর্মা, কেন্দুয়া প্রতিনিধি: ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ উত্তীর্ণ হয়ে নেত্রকোণা জেলায় সেরা ও বিভাগীয় ভাবেও সেরা দশের তালিকায় অন্তভূক্ত হওয়া সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গৌরব অর্জন করেছে কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত "শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ"। এ সাফল্যে বিদ্যালয়ের ৩৬ জন কৃতী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার ১৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এডহক কমিটির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে-প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-নেত্রকোণা-৩, কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ড. আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম হিলালী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন-নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের হাতে গড়া এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ" প্রথম স্থান অর্জন করার গৌরব শুধু বিদ্যালয়ের নয়, এটি আমাদের কেন্দুয়াবাসীর সবার গৌরব। এই সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখতে ভবিষ্যতে আমাদের আরও মনোযোগী ও দায়িত্বশীল হতে হবে। হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্ন পূরণে শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠকে মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ছাত্রাবাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ারও ঘোষণা দেন তিনি।
এ সময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দীন আহমেদ খোকন, রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি আবুল হোসেন সুরুজ আলী, সাবেক সভাপতি আবু সিদ্দিক, সহকারী প্রধান শিক্ষক শরীফ আনিস, সিনিয়র শিক্ষক মাহবুব আলম ও অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
এতে বক্তারা বলেন বিদ্যালয়ের এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ ৩৬ জন শিক্ষার্থী, অফিস সহায়ক ও বিদ্যালয়ের গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
নন্দিত কথাসাহিত্যিক ড. হুমায়ূন আহমেদ তাঁর নিজ গ্রাম রোয়াইলবাড়ি-কুতুবপুর এলাকায় "শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ" প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিদ্যালয়টি এলাকার শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।