মোঃ রুহুল আমিন বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে আলু চাষ করে আবারও লোকসানের মুখে পড়েছেন বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা এলাকার কৃষকরা। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারদর অনেক কম হওয়ায় ছিদাগারে সংরক্ষিত আলু বিক্রি করে উৎপাদন খর অর্ধেকও তুলতে পারছেন না অনেকে। গত বছ্যাও লোকসানের শিকার হওয়া অনেক কৃতত ভালো নামের আশায় এবার ঋণ করে আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছিলেন। কিন্তু বাজার পরিস্থিতির উন্নতি না হয়ে বরং লোকসানের বোঝা আরো বেড়েছে। ফলে হিমাগারে রাখা আলু উত্তোলন করতেও অনীহা দেখা দিয়েছে অনেক কৃষকের.
কৃষকদের দাবি-আলু উৎপাদনে কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ১৭ টাকা। অথচ হিমাগার থেকে বের করে ষ্টিক জাতের মালু বিক্রি করতে হচ্ছে কেজিপ্রতি ১১ টাকা এবং পাগড়ি আতের আলু ২০ টাকা দরে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে হিমাগার ভাড়া, বস্তা ও প্যাকিং এবং পরিবহন খরচ। সব মিলিয়ে লোকসানের আশঙ্কায় অফাক কৃমক দ্বিমাগর থেকে আল উত্তোলনের সাহস পাচ্ছেন না। এর Fire breach any lattidin pan tax আসতে শুরু করলে দাম আরও কমে যাওয়ার
শিবগঞ্জের নিউ কাফেলা কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক মিল্টন মিয়া বলেন, বাজারে চাহিদা কম থাকায় এসব আলু এখনো বিক্রি বা উত্তোলন করা হয়নি। হিমাগারে আলু রাখার নির্ধারিত সময় আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত
শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার ১৭টি হিমাগারের মোট ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩ মেট্রিক টন। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ আলু এখনো হিমাগারে মজুত রয়েছে। এদিকে বাজারে আলুর চাহিদা ও দাম কম থাকায় অনেক সংরক্ষণকারী হিমাগার থেকে আল উত্তোলন করছেন না। বিদ্যুতের উচ্চমূল্য ও হিমাগার পরিচালনার ব্যয় বিবেচনায় কোল্ড স্টোরেজ কেন্দ্রীয় মালিক সমিতির প্রচলিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মাগণী ১৫ নভেম্বরের পর হিমাগার খালি করার উদ্যোগ দেওয়া হয়েছে। এজন্য জেলার কয়েকটি হিমাগারে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নির্ধরিত সময়ের মধ্যে অপু উজেলন না করলে হিমাগার ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কমিটি গঠন করে সংরক্ষিত মালু বিক্রির ব্যবস্থা করা হবে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে-বছর বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও প্রমিকের মজুরিসহ আলু উৎপাদনে খরচ বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হিমাগারের আড়া ও সংরক্ষণ খরচ। কিন্তু বাজারে আলুর পাইকারি দাম কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচের তুলনায় মনেক কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের। এ অবস্থায় লোকসানের আশঙ্কায় অনেক কৃষক হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আলুচাবি আজিজুর রহমান ২০০ বস্তা আলু হিমাগারে সংরক্ষণ করেছেন। বস্তাপ্রতি তার খরচ হয়েছে ১ হাজার ৯৫০ থেকে ২ হাজার টাকা। অথচ বর্তমানে প্রতি বস্তা আলু বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১ হাজার টাকায়। এতে বস্তাপ্রতি প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে তাকে।
আরেক আলুচাষি মায়াবুর রহমান বলেন, হিমাগারে স্টিক আলু বিক্রি হচ্ছে বস্তাপ্রতি ৫৫০ টাকায়। অথচ শুধু হিমাগার ভাড়াই নিতে হচ্ছে ৪০০ টাকা। অন্যান্য খরচ হিসাব করলে এবারও লোকসান জাতে হচ্ছে। আলু ব্যবসন্তী আবু সাঈদ সরদার বলেন, স্টিক যাদুর বস্তাপ্রতি এব ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে পড়েছে প্রায় ১ মাজার ১০০ টাকা। বর্তমান হিমাগারের গেটে তা বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকায়। এতে বস্তাপ্রতি প্রায় ৫০০ টাকা লোকসান হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ব্যবসায়ীরা পথে বদে যাবেন।
শিবগঞ্জের নিউ কাফেলা কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থাপক মিল্টন মিয়া বলেন, তাদের হিমাগারের ধারণক্ষমতা ১ লাখ ৫০ হাজার বস্তা। এখনে সেখানে ৫৪ হাজার বস্তা আলু মজুত রয়েছে। বাজরে চাহিদা কম থাকায় এমন মলু এখনে বিক্রি বা উত্তোলন করা হয়নি। হিমাগারে আলু রাখার নির্ধারিত সময় আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত। উপজেলার ১৭টি হিমাগারের চিত্র প্রায় একই।